সিডনিতে চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ইংল্যান্ডের বোর্ডে রান ছিল ৮ উইকেটে ৩০২। শেষ ভরসা হিসেবে ১৪২ রানে অপরাজিত ছিলেন জ্যাকব বেথেল। কিন্তু পঞ্চম দিন ইংলিশরা ব্যাট করতে পেরেছে মাত্র ১৩.২ ওভার। তাতে নতুন করে রান যোগ হয় মাত্র ৪০। পঞ্চম দিনের প্রথম সেশনে ৩৪২ রানে অলআউট হয়ে ১৬০ রানের লক্ষ্য দেয় অস্ট্রেলিয়াকে।
সেই ম্যাচ ৫ উইকেটে অস্ট্রেলিয়া জিতে নিয়েছে। সঙ্গে দিয়েছে কিছুটা রোমাঞ্চকর ছোঁয়াও। তবে লক্ষ্যটা ২০০ ছাড়ানো হলেও ভিন্ন কিছু ঘটলেও ঘটতে পারতো। তবে উসমান খাজার ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট নিশ্চিতভাবেই হারতে চাইতো না অজিরা।
জ্যাকব বেথেল ১৫৪ রান করে মিচেল স্টার্কের বলে অ্যালেক্স ক্যারিকে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে। ৩২৮ রানে নবম উইকেট হারায় ইংলিশরা। পরে ৩৪০ রানে জশ টাঙকে ফিরিয়ে ইংল্যান্ডের ইনিংসের সমাপ্তি টানেন মিচেল স্টার্ক।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৬২ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন ট্রাভিস হেড ও জেক ওয়েদারাল্ড। ২৯ রান করে টাঙের বলে কার্সকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হেড। অজিদের বোর্ডে ৯ রান যোগ হওয়ার পর দলীয় ৭১ রানে টাঙের বলেই ৩৪ রান করে বিদায় নেন আরেক ওপেনার ওয়েদারাল্ড। লক্ষ্য ছোট হলেও লড়াই করার বার্তা দিয়ে স্টিভেন স্মিথকেও ফেরায় ইংল্যান্ড। উইল জ্যাকস ১২ রানে থাকা স্মিথকে বোল্ড করলে ৯২ রানে ৩ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
বিদায়ী টেস্ট খেলতে নামা উসমান খাজা ৬ রানের বেশি করতে পারেননি। তাকেও ফেরান জশ টাঙ বোল্ড করে। দলীয় ১১৯ রান খাজার বিদায়ের ২ রান পর মারনাস লাবুশেনও সাজঘরের পথে হাঁটেন রানআউট হয়ে ৩৭ রান করে।
জেতার জন্য বাকি ৩৯ রান করতে অবশ্য আর কোনো উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। অ্যালেক্স ক্যারি ১৬ ও ক্যামেরন গ্রিন ২২ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন অজিদের হয়ে।
১৬৩ ও ২৯ রান করে ম্যাচসেরা হয়েছেন ট্রাভিস হেড। সিরিজে ব্যাট হাঁতে ২০২ রান ও ৩১ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরা হয়েছেন মিচেল স্টার্ক। ৪-১ ব্যবধানে অ্যাশেজ সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে স্টিভেন স্মিথের দল।
আইএন