দেশজুড়ে

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে ৭.৩ ডিগ্রি

আবারও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের কবলে শীতের জেলা পঞ্চগড়। টানা ছয়দিন ধরে তেঁতুলিয়াসহ আশপাশের এলাকায় মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। এরমধ্যে টানা তিনদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ডও পঞ্চগড়ে। সকাল-সন্ধ্যা ঘনকুয়াশা আর হিমশীতল বাতাসে দুর্ভোগ বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষের।

রোববার (১১ জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন (রাতের) তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়ায় আবহাওয়া অফিস। শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি। সর্বোচ্চ (দিনের) তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২১ দশমিক ০ ডিগ্রি।

টানা মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের ফলে দিনভর কুয়াশাচ্ছন্ন থাকছে আকাশ। দুপুরের দিকে কিছু সময়ের জন্য সূর্যের মুখ দেখা গেলেও তাপ ছড়ানোর আগেই আবারও কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় এলাকা। দিনভর হালকা কুয়াশার সঙ্গে হিমশীতল বাতাস থাকে। রাতেও বৃষ্টির মতো টিপটিপ করে কুয়াশা ঝরেছে। সকাল ১১টা পর্যন্ত সড়ক মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। সন্ধ্যার পর ফাঁকা হয়ে যায় জনবহুল এলাকা। কনকনে শীতে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয় খেটে খাওয়ার মানুষের মধ্যে।

জেলা শহরের ধাক্কামারা রেলস্টেশন এলাকার ইজিবাইকচালক আজিজুর রহমান বলেন, শীতে প্রতিবছর আমাদের সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়। এই ঠান্ডায় কেউ রিকশা-ভ্যানে উঠতে চায় না। সারাদিন তিন থেকে চারশ টাকাও আয় হয় না। আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে আছি।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, টানা ছয়দিন ধরে তেতুলিয়া ও আশপাশের এলাকা দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। রোববার সকাল ৯টায় দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। শনিবার তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি। এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ থাকলে মাঝারি এবং ৮ থেকে ১০ এর মধ্যে থাকলে ওই এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায় বলে জানান তিনি।।

সফিকুল আলম/এমএন/জেআইএম