রাজনীতিকদের প্রতি জনগণের আস্থা তৈরি করার দায়িত্ব রাজনীতিকদেরই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ আয়োজিত জাতীয় নির্বাচন ও নাগরিক প্রত্যাশা শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু বলেন, আমরা উদ্যোগ শুরু করেছি, এসব বিষয়ের ওপর আমরা অনেকগুলো সেমিনার করছি। সেখানে কমপক্ষে এক ঘণ্টা প্রশ্ন উত্তর পর্ব রেখেছি। আমরা বক্তৃতা দিয়ে বাড়ি চলে যাই, সবাই শুনে। কার মনে কি আছে কিছুই জানলাম না। এজন্য আমাদের প্রত্যেকটি আলোচনায় কমপক্ষে এক ঘণ্টা প্রশ্ন উত্তর পর্ব রেখেছি। যেন রাজনীতিকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত থাকে।
তিনি আরও বলেন, সিভিল সোসাইটির রোল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি মনে করি আমাদের সিভিল সোসাইটি ফাংশন করতে দিতে হবে। শুধু ফাংশন না ফ্যাসিলিটেট করতে হবে এবং আমি এই ক্ষেত্রে আমাদের চিন্তার কথা একটু বলি যে আমাদের যে কার্যক্রম আগামীতে সেটা বিরোধী দল হোক বা সরকারে হোক। আমাদের কিন্তু একটা ধারণা পরিষ্কার আমাদের মধ্যে যেই সরকার হোক তিনি কিন্তু একা কোনো কিছু সমাধান দিতে পারে না। এবং সেটা যদি ডেলিভার করতে হয় সেটা যদি বাস্তবায়ন করতে হয় একটা পার্টনারশিপের বিষয় আছে।
বিএনপির এই নীতি-নির্ধারক আরও বলেন, আমরা দলগতভাবে যেটা সিদ্ধান্ত আছে। আগামীতে যদি আমরা সরকারেও যাই আমরা পার্টনারশিপ রাখবো। এই পার্টনারশিপের মধ্যে কারা কারা থাকবে। সিভিল সোসাইটি, প্রাইভেট সেক্টর, এনজিও, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন যে কার্যক্রম আমরা রূপরেখাতে দিয়েছি। আগামীতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সমাধান করতে হবে। বাস্তবায়ন করতে হবে।
সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন, সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সম্মানিত ফেলো অধ্যাপক রওনক জাহান, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, রাজনীতিবিদ ডা. তাসনিম জারা, বাংলাদেশ কমিউনিটি পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, গণফোরামের সভাপতি সুব্রত চৌধুরীসহ আরও অনেকেই।
কেএইচ/এমআইএইচএস/জেআইএম