পাবনার ভাঙ্গুড়ায় খানমরিচ ইউনিয়নে প্রায় ৮ লাখ টাকা মূল্যের ৫১ মণ ভেজাল মধু জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ১১টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ইউনিয়নের দুধবাড়িয়া গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর আগে ভেজাল মধু সন্দেহে স্থানীয়রা ওই মধুর ড্রামগুলো আটক করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্থানীয় সূত্র বলছে, সোমবার দিনগত রাতে ৪টি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ৪১টি ড্রামে ভরে এই বিপুল পরিমাণ মধু নেওয়া হচ্ছিল। দুধবাড়িয়া এলাকায় যাওয়ার সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা ড্রামগুলো আটকে রাখেন। পরে মধুতে ভেজালের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তারা উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন। মঙ্গলবার সকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মধুগুলো পরীক্ষা করে ভেজালের প্রমাণ পান।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র চিনি জ্বালিয়ে চা পাতাসহ বিভিন্ন উপকরণে ভেজাল মধু তৈরি করে আসছিলেন। ভেজাল মধু তৈরিতে ওই এলাকার বড়পুকুরিয়া গ্রামের রমজান, জাইদুল, মোস্তফা, সোহাগ, আম্বিয়া ও গোলাম রসুলসহ আরও কয়েকজন জড়িত বলেও দাবি স্থানীয়দের। এর আগে ভেজাল মধু তৈরির দায়ে কারাগারেও যান রমজানসহ কয়েকজন।
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান বলেন, প্রতিটি ড্রামে ৫০ কেজি হিসেবে ২ হাজার ৫০ কেজি ভেজাল মধু ছিল। এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮ লাখ টাকা। এগুলো খোলা মাঠে নষ্ট করা হয়েছে। জব্দকৃত ড্রামগুলো এতিমখানায় দেওয়া হয়েছে।
জড়িতদের প্রসঙ্গে এ কর্মকর্তা বলেন, অভিযানে গিয়ে আমরা কাউকেই পাইনি। তবে জড়িত আছেন বলে ওই নামগুলো স্থানীয়রা আমাদের জানিয়েছেন। আমরা সেগুলো তদন্ত করবো। এরপর জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলমগীর হোসাইন নাবিল/কেএইচকে