দেশজুড়ে

পেশায় রাজনীতিবিদ মিলনের ২৭ কোটি টাকার অর্জিত সম্পদ

চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন কোটিপতি। তিনি ও তার স্ত্রীর কাছে চারটি আগ্নেয়াস্ত্র আছে। তার হাতে নগদ দুই কোটি টাকা আছে। তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ২৭ কোটি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমদ লাখপতি বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

এই আসনে মনোনয়পত্র যাচাই-বাছাই শেষে রির্টানিং অফিসার কর্তৃক বৈধ প্রার্থীরা হলেন জামায়াতে ইসলামীর আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনিছুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন এবং বিএনপির আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বিএনপির প্রার্থী এহসানুল হক মিলন নিজের পেশা হিসেবে রাজনীতিবিদ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি দুইবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। বর্তমানে তার বয়স ৬৯ বছর। তিনি পিএইচডি ডিগ্রিধারী।

হলফনামা অনুযায়ী মিলনের হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ দুই কোটি ৪৩ লাখ ৫৪ হাজার ২৩৬ টাকা। তার স্ত্রী নাজমুন নাহার বেবির কাছে নগদ আছে ৫৭ লাখ ১ হাজার ৩৩২ টাকা। মিলনের অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ২৭ কোটি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং স্ত্রীর ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

মিলনের নিজ নামে কৃষিজমির পরিমাণ ৬৭৫.৪৫ শতাংশ, যার অর্জনকালীন মূল্য ৩৭ লাখ ১ হাজার ৪২০ টাকা। তার বনানীতে অকৃষি জমির পরিমাণ এক দাগে ৫ কাঠা, যার অর্জনকালীন মূল্য ৫৬ লখ ১০ হাজার টাকা। অপর দাগে ১১২. ৭৫ শতাংশ জমি রয়েছে, যার অর্জনকালীন মূল্য ১৪ লাখ ৪৫ হাজার ৩৫৪ টাকা। স্ত্রীর নামে অকৃষি ৩৮ শতাংশ জমি রয়েছে, যার অর্জনকালীন মূল্য এক লাখ ৩১ হাজার ৩৩৬ টাকা। অর্জিত এই সম্পত্তির বর্তমান আনুমানিক মূল্য ১২ কোটি টাকা।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ পেশায় একজন শিক্ষক। তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদাউস একজন গৃহিণী। এই প্রার্থী বছরে তার শিক্ষকতা পেশা থেকে আয় করেন ছয় লাখ ৯৫ হাজার ৫২৯ টাকা। বর্তমানে তার হাতে রয়েছে ৩১ লাখ ৭৫ হাজার ৫২৯ টাকা। তার হাজীগঞ্জে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার মূল্য ২২ লাখ ২০ হাজার। এছাড়া কচুয়ায় ১৫ শতক জমি ও একটি বসতঘর রয়েছে, যার মূল্য ৩৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নামে কোনো সম্পত্তি নেই।

শরীফুল ইসলাম/এসআর/এএসএম