আন্তর্জাতিক

ইরানের বিক্ষোভ নিস্তেজ হওয়ায় বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম

ইরানের অভ্যন্তরে সরকারবিরোধী আন্দোলনে অস্থিতিশীল পরিবেশ ক্রমেই স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। ইরানের বিক্ষোভ নিয়ে উদ্বেগ কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পর এই পতন দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৩ দশমিক ০ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৬০ দশমিক ১৬ ডলারে নেমে আসে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম কমেছে ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ যার দাম ব্যারেলপ্রতি দাঁড়িয়েছে ৬৪ দশমিক ৫৭ ডলার।

ইরানের পরিস্থিতি তেলের সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে এমন আশঙ্কায় বুধবার (১৪ জানুয়ারি) তেলের দাম প্রায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছিল। 

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দরপতনের পেছনে ট্রাম্পের বক্তব্যকে কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে । ট্রাম্প বলেছে, তাকে জানানো হয়েছে যে ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারী) এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। লেনদেন শুরুর পর হংকং, সাংহাই, তাইপে, ওয়েলিংটন, মুম্বাই ও কুয়ালালামপুরের বাজারে পতন দেখা যায়। অন্যদিকে সিডনি, সিউল, ব্যাংকক ও ম্যানিলার বাজারে সামান্য ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে।

উল্লেখ্য, তীব্র মুদ্রাস্ফীতির কারণে বর্তমানে ইরানে যে বিক্ষোভ চলছে তা শুরু হয়েছে গত ২৮ ডিসেম্বর। সম্প্রতি ইরানের জাতীয় মুদ্রা রিয়ালের রেকর্ড অবমূল্যায়ন ও নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া দেশটির গ্রান্ড বাজার এলাকার ব্যবসায়ীরা প্রথমে বিক্ষোভ শুরু করে, যা পরে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। বর্তমানে ডলার–রিয়াল বিনিময় হার ১ ডলারে ১ লাখ ৪৫ হাজার রিয়ালে পৌঁছেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

কেএম