ক্ষুদ্র শক্তি পাফোসকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষ আটে শেষ করার আশা বাঁচিয়ে রেখেছে চেলসি। যদিও সাইপ্রাসের দলটির বিপক্ষে জয় পেতে কষ্ট করতে হয়েছে ইপিএলের ক্লাবটিকে। ৭৭ মিনিটে মোইসেস কাইসেদোর ডাইভিং হেডারে আসে জয়।
১১৫ মিলিয়ন দামে চেলসিতে নাম লেখানো এই মিফফিল্ডার দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখান পেদ্রো নেতোর কর্নার থেকে। পাফোসের হয়ে বদলি নামা নানি দিমাতার গায়ে লেগে বল দিক পরিবর্তন করলে কাছ থেকে হেড করে জাল খুঁজে নেন কাইসেদো।
প্রতিযোগিতায় অভিষেক করা পাফোসের বিপক্ষে চেলসির জন্য এটি বিব্রতকর এক সন্ধ্যায় পরিণত হতে যাচ্ছিল বলেই মনে হচ্ছিল।
চেলসির কোচ হিসেবে নিজের প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দায়িত্ব পালন করে লিয়াম রোজেনিয়র হতাশায়ই পড়েছেন বলা চলে এমন জয়ে। প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো অভিষেক হওয়া পাফোসের বিপক্ষে এমন কষ্টার্জিত নিশ্চিতভাবেই প্রত্যাশিত ছিল না।
১৭ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের হেডারটি ডেরিক লুকাসেনকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগে বাতিল হয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর পাফোসের প্রতি-আক্রমণে বিপদে পড়ে চেলসি। রিস জেমসের হাতে বল লেগে দিক পরিবর্তনের পর জাজার শট পোস্টে আঘাত করে, যার ফলে পেনাল্টির জোরালো আবেদন ওঠে।
বিরতির আগমুহূর্তে চেলসির ডিফেন্ডার জোরেল হাতো কাছ থেকে সুযোগ পেলেও পাফোস গোলকিপার জে গোর্টারকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ হন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মাঠে নামেন আক্রমণভাগের প্রতিভাবান খেলোয়াড় এস্তেভাও উইলিয়ান। সাত মিনিট পরই তিনি প্রথম ছোঁয়ায় নেওয়া দুর্দান্ত এক ভলিতে দর্শকদের আশা দেখান। তবে শেষ পর্যন্ত কাইসেদোর গোলেই আসে ম্যাচের একমাত্র ব্যবধান।
৩৬ দলের লিগ পর্বে শীর্ষ আটে থেকে সরাসরি নকআউট পর্বে যেতে হলে চেলসিকে সম্ভবত শেষ ম্যাচে নাপোলির মাঠে জিততেই হবে, নইলে খেলতে হবে অতিরিক্ত দুইটি প্লে-অফ ম্যাচ।
আইএন