আইন-আদালত

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে ৪৬টি ক্যাডারসহ ২১৩ পদ সৃজনের গেজেট

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন ও কার্যক্রম শক্তিশালী করতে ৪৬টি ক্যাডার পদসহ মোট ২১৩ পদ স্থায়ীভাবে রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

এসব পদের মধ্যে একজন সিনিয়র সচিব, চারজন অতিরিক্ত সচিব এবং অন্যান্য জুডিসিয়াল সার্ভিস ক্যাডার পদের কর্মকর্তারা রয়েছেন, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার একটি বড় পদক্ষেপ।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সিনিয়র সচিব (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা এক গেজেটে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

জারি করা গেজেটের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোট সচিবালয়ে বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের ৪৬টি ক্যাডার পদসহ সর্বমোট ২১৩টি পদ রাজস্বখাতে স্থায়ীভাবে সৃজন এবং যানবাহন অফিস সরঞ্জামাদি (টিওঅ্যান্ডই) অন্তর্ভুক্তকরণে সরকারের মঞ্জুরি নিদের্শক্রমে জ্ঞাপন করছি।

জানা গেছে, ২১৩ পদের মধ্যে একটি সিনিয়র সচিব, চারটি অতিরিক্ত সচিব, চারটি যুগ্ম সচিব, ১৭টি উপসচিব, ২০টি সিনিয়র সহকারী সচিব ও মুখ্য হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার পদ রয়েছে। এছাড়া সিস্টেম অ্যানালিস্ট, প্রোগ্রামার, মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার, গাড়িচালক, অডিটর, ফটোগ্রাফারসহ বিভিন্ন পদ রয়েছে।

জুডিসিয়াল সার্ভিস ক্যাডারের ৪৬ পদের মধ্যে ৪৫ পদের বেতন স্কেল ধরা হয়েছে ২০১৬ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেল অনুসারে। সিনিয়র সচিব পদসহ বাকি ১৬৮টি পদের বেতন স্কেল ধরা হয়েছে ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুসারে।

আদেশে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ১৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত ‘পদ সৃজন কমিটির’ সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এসব পদ সৃষ্টি ও সরঞ্জামের জন্য প্রধান উপদেষ্টা ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নেওয়াসহ সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা প্রতিপালন করা হয়েছে।

২১৩টি পদ, যানবাহন ও অফিস সরঞ্জামের ব্যয়ভার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অনুকূলে বরাদ্দকৃত বাজেটের সংশ্লিষ্ট খাত থেকে বহন করা হবে।

এর জন্য পদ সৃজন কমিটির এ-সংক্রান্ত একটি আদেশ গত ৮ ডিসেম্বর মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর স্বাক্ষরে তা পাঠানো হয়।

আদেশে ২১৩টি পদ অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি সচিবালয়ের জন্য ৯টি জিপ, ছয়টি মাইক্রোবাস, চারটি বাস, পাঁচটি ফটোকপিয়ার ও একটি ডিজিটাল ক্যামেরা বরাদ্দ দিতে বলা হয়।

এফএইচ/বিএ