খেলাধুলা

ফাইনাল শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই শেরে বাংলার সামনে জনস্রোত

সূচি অনুযায়ী ম্যাচ মাঠে গড়াবে সন্ধ্যা ৬টায়, গেট খুলবে বেলা সাড়ে ৩টায়। অথচ ঘড়ির কাঁটায় ১২টা বাজার আগেই মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের আশে পাশে ভিড় করা শুরু করেন দর্শকরা। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ফাইনালে দুই দল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের জার্সি পড়ে স্টেডিয়ামের ৫টি গেটের সামনে দুপুর থেকেই সিরিয়াল দিয়ে দাঁড়িয়েছেন দর্শকরা।

গত ২৬ নভেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পর্দা ওঠে এবারের বিপিএলের। এরপর ২৮ দিন, ৩৩ ম্যাচ আর নানা আলোচনা-সমালোচনা শেষে আর কয়েক ঘণ্টা পরই ফাইনালের মধ্যে দিয়ে পর্দা নামবে দ্বাদশ আসরের। এবারের আসরের ফাইনাল দেখার জন্য ম্যাচ শুরুর রীতিমত ৪-৫ ঘণ্টা আগে থেকেই দর্শকরা স্টেডিয়ামের সামনে এসে হাজির।

বেলা ৩টা ২০ মিনিটে খুলে দেওয়া হয় সব গেট। এরপর নদীর স্রোতের মতো একে একে ঢুকতে শুরু করেন দর্শকরা, মাঠে ঢুকে আগেভাগে নিজের সিট দখলে নেওয়াই মূল উদ্দেশ্য। আনিস শেখ নামের ২৬ বছরের এক যুবক এসেছেন সেই রাজশাহী থেকে। নিজ বিভাগের দলকেই সমর্থন করবেন তিনি। বলছিলেন, ‘আমি খুবই আশাবাদী আজকে রাজশাহীই চ্যাম্পিয়ন হবে। শান্ত, উইলিয়ামসন, নিশামরা দারুণ খেলবে। আমরাই চ্যাম্পিয়ন হবো।’

চট্টগ্রাম থেকে এসেছেন আবিদুল ইসলাম নামের একজন। ২৫ বছরের এই চট্টগ্রাম রয়্যালস ফ্যান বলেন, ‘শেখ মেহেদী নেতৃত্বে আমরা শুরু থেকে ভালো খেলছি। রাজশাহীকে হারিয়েই ফাইনালে উঠেছিলাম আমরা। আজও জিতে শিরোপা আমাদেরই হবে।’

রাজশাহী থেকে রাজশাহী রয়্যালস একবার শিরোপা জিতেছে আর রাজশাহী কিংস একবার রানার্সআপ হয়েছে। এবারের ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিষেক আসরেই ফাইনালে উঠেছে। এর আগে রাজশাহীর দুইবার ফাইনাল খেলা দলের অংশ ছিলেন হান্নান সরকার। এবার তিনি আরও বড় দায়িত্বে, হেড কোচ। অন্যদিকে চট্টগ্রামের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি তিনবার ফাইনাল খেললেও শিরোপা জেতা হয়নি।

এসকেডি/এমএমআর