আম্পায়ারদের মান উন্নয়নে পরামর্শক হিসেবে আইসিসির সাবেক এলিট আম্পায়ার সাইমন টফেলের সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি করেছে বিসিবি। এই দফায় দুই মাসের মতো বাংলাদেশে ছিলেন তিনি। বিপিএলে ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সঙ্গে আম্পায়ারদের ট্রেনিং করিয়েছেন।
বিপিএল শেষে ম্যাচ রেফারিদের দুইদিনের কর্মশালা শেষে সোমবার সংবাদ সম্মেলন করেন টফেল। সেখানে বাংলাদেশে থাকা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করেন তিনি।
বাংলাদেশে কাটানো সময়কে উদ্দীপনাপূর্ণ ও তৃপ্তিদায়ক অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন টফেল। বিপিএল চলাকালীন ব্যস্ত সূচি, মাঠ ও মাঠের বাইরের কাজের চাপের মাঝেও এখানকার পরিবেশ, মানুষের আন্তরিকতা এবং ম্যাচ অফিসিয়ালদের কাজের প্রতি আবেগ তাকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
টফেল বলেন, ‘এখানকার পরিবেশটা খুব প্রাণবন্ত। জায়গাটা অবিশ্বাস্য রকমের ব্যস্ত আর হইচইপূর্ণ। এখানকার খাবারও চমৎকার।’
তবে টানা দুই মাস বাড়ির বাইরে থাকায় শারীরিক কিছুটা ক্লান্তির কথাও বলেন তিনি, ‘প্রতিদিন ম্যাচ ছিল, কোনো কোনো দিন আবার দুটো করে ম্যাচ। এর সঙ্গে মাঠের বাইরের কাজও ছিল। তবে সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতাটা খুব তৃপ্তিদায়ক ছিল, কারণ আমাদের টিমটা খুব একতাবদ্ধ ছিল।’ মাঠের বাইরের সময়টাও উপভোগ করেছেন টফেল। শপিং, খাবার এবং সহকর্মীদের সঙ্গে আড্ডার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একে অপরের সঙ্গ উপভোগ করাটাই পুরো অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দময় করে তুলেছে।
বাংলাদেশের ম্যাচ অফিসিয়ালদের কাজের প্রতি আগ্রহ ও আবেগ টফেলকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছে বলে জানান। তিনি বলেন, ‘এটি খুব উদ্দীপনাপূর্ণ একটি জায়গা। এখানকার ম্যাচ অফিসিয়ালদের কাজ করার প্রবল ইচ্ছা আর আবেগ আমাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করে।’
এ সময় সম্ভাব্য নতুন আম্পায়ার কোচ তৈরির উদ্যোগের কথাও জানান টফেল। তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন আম্পায়ার ট্রেইনারদের জন্য একটি বিশেষ কোর্স করিয়েছি। আমরা আরও আম্পায়ার কোচ খুঁজছি। যারা আগ্রহী, তারা যেন ওবি’র (বিসিবির আম্পায়ার ডিপার্টমেন্টের ইনচার্জ ও আম্পায়ার এডুকেটর অভি আবদুল্লাহ) সঙ্গে যোগাযোগ করেন।’
বাংলাদেশে কাটানো সময় উপভোগ করলেও বাড়ি ফেরার টান অনুভব করছেন টফেল। তিনি বলেন, ‘এখানে সময়টা খুব ভালো কেটেছে, তবে এখন বাড়ি ফেরার জন্য মন টানছে।’
এসকেডি/এমএমআর