সাহিত্য

এমদাদ হোসেনের গুচ্ছ কবিতা

০১. সবাই শুধালো আমায়—মানুষ কেন তবে মানুষকে ভালোবাসে?আমি হেসে বললাম—মানুষ আসলে নিভৃতে দুঃখ পেতে ভালোবাসে।

০২. হৃদয়ের উঠোনে রেখেছি তোমার নাম,তুমি কী রেখেছো? ভালোবাসা না চিরন্তন অনিশ্চয়তা?

০৩.এই তাবৎ পৃথিবীর সুখ তোমার হোক,আর আমার কেবল অনিষ্ট হোক, অনিষ্ট।

০৪.যেদিন ভীষণ বিষণ্ণতায় চারপাশ হবে ম্লান,হৃদয়জুড়ে বইবে কেবল একাকিত্বের গান;সেদিন তোমার ছায়াতলে আমায় ডেকে নিও,ব্যথা ভোলাতে বাহুবন্ধন আমায় উপহার দিও।

০৫.আমি ভুলে যেতে চাই বিষণ্ণ দিনের স্মৃতি,দুই রথ দুই নদী পার হয়ে তোমায় খুঁজি।বুকের ভেতর তীব্র ব্যথা জাগে নিরবধি,হে নারী, আমি শুধু তোমাকেই খুঁজি।

০৬.ঋণ বাড়ে, দিন চলে যায়—পুরোনো খাতায় আজও জমে আছো তুমি;তোমার দেওয়া অবহেলাটুকু বুকে চেপেস্মৃতির ধূসর পথে হেঁটে চলি আমি।

০৭.অবেলায় অবহেলা বুকে চেপে একা বসে আছি,পেছন দুয়ারে কার যেন ডাক শুনি—কে ওগো ওখানে? তুমি নও তো?

০৮.পথ পড়ে থাকে একা নিরালায়,পাশে নেই কেউ কোনো সে শপথে;তুমি যদি এসে ছুঁয়ে দাও আজ—পুরোনো শপথ ভাঙবো এ পথে।

০৯.নদী শুধায় কাছে গেলে, কী তোমার চাওয়া?আমি বলি, শিখিয়ে দাও তোমার মতো বয়ে যাওয়া।

১০.থাকে যদি বুকে দৃঢ় শপথ,টুটে যাবে বাধা, জয় হবে বিপদ।

এসইউ