শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিমের হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের দাবিতে শেরপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে শনিবার ‘দোয়া দিবস’ ঘোষণা করেন জেলা জামায়াত।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বাদ জুম্মা জামায়াতের নেতাকর্মীরা পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে ডিসি গেটে এসে সমাবেশ করেন।
সমাবেশে ছাত্রশিবিরের শেরপুর জেলার সভাপতি আশরাফুজ্জামান মাসুম বলেন, ঝিনাইগাতীতে ইশতিহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপি ন্যক্কারজনক হামলা চালায়। হামলায় রেজাউল করিম ভাই শহীদ হয়েছে। চব্বিশ পরবর্তী সময়েও বাংলাদেশ অনিরাপদ। প্রশাসন এখনো চুড়ি পরে ঘুমাচ্ছে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শেরপুর জেলা সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম বলেন, মাওলানা রেজাউল করিমের হত্যাকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেফতার না করলে এ শহর অচল করে দেওয়া হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার লিখন মিয়া বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি সন্ত্রাসীদের দ্বারা শেরপুর দিনকেদিন অনিরাপদ হয়ে যাচ্ছে। মাওলানা রেজাউল করিমকে হত্যার পর এখনো প্রশাসনের পক্ষ হতে কোনো অগ্রগতি নেই। যে প্রশাসন সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে পারে না সেই প্রশাসনের প্রয়োজন নেই।
শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও শেরপুর -১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বলেন, রেজাউল করিম শহীদ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার না করে প্রশাসন যে দুর্বল ভূমিকা রেখেছে এর জবাব প্রশাসনকে দিতে হবে। আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই, সন্ত্রাসীদের ঠাই এই বাংলায় হবে না।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী - ঝিনাইগাতী) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করা না হলে ডিসি-এসপি অফিস ঘেরাও করে তাদেরও প্রত্যাহার করানো হবে।
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, সন্ত্রাসীদের আস্তানা শেরপুরে আমরা রাখতে দিবো না। অতি শীগগিরিই এ সন্ত্রাসীদের না ধরা হলে ডিসি অফিস ঘেরাও করা হবে।
মো. নাঈম ইসলাম/এএইচ/এমএন