রাজধানীতে অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ এর আওতায় ২৪ ঘণ্টায় অভিযান চালিয়ে ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
এর মধ্যে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ একজন, পল্লবী থানা পুলিশ তিনজন, খিলক্ষেত থানা পুলিশ তিনজন, যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ দুইজন, রামপুরা থানা পুলিশ একজন, শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ একজন, উত্তরখান থানা পুলিশ তিনজন, শাহবাগ থানা পুলিশ একজন, ওয়ারী থানা পুলিশ একজন, মুগদা থানা পুলিশ চারজন ও হাতিরঝিল থানা পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তালেবুর রহমান বলেন, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অপারেশন ডেভিল হান্টের অংশ হিসেবে দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে রাজধানীর ১১টি থানা পুলিশ।
তিনি বলেন, মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ অত্র থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অপারেশন ডেভিল হান্টের অংশ হিসেবে দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করে সঞ্জয় জজ হালদারকে (৩৪), পল্লবী থানা পুলিশ নাজমুল হাসান রাসেলকে (৪৫), মো. মুশফিক ফয়সাল মিশু ওরফে আশিক (৩৬) ও আলালকে (৩৭) গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন ও চার রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।
খিলক্ষেত থানা পুলিশ মো. নাহিদ হাসান (২৭), মরিয়ম জেসমিন ওরফে মায়াবতি ও রুবেলকে (৩৪), যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ মাহির আসহাব ওরফে আবির (২৫) ও সোহেলকে (২৮), রামপুরা থানা পুলিশ তুষারকে (২৬), শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ মো. সজীব ইসলামকে (২০), উত্তরখান থানা পুলিশ মো. আরমান মিয়া (৩৫), নাহিদ হাসান জয় (২৯) ও ডালিয়া আমিন সকালকে (৪৫) গ্রেফতার করে।
তিনি বলেন, এছাড়াও শাহবাগ থানা পুলিশ জুয়েল রানাকে (৩৭), ওয়ারী থানা পুলিশ মো. হৃদয়কে (২৫), মুগদা থানা পুলিশ মো. ইব্রাহিম (৪৫), আব্দুর রহমান মাহিন (২৫), মো. সাইদুর ইসলাম (৩৬) ও মো. ইমরান হোসেনকে (২৮) গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, তিন রাউন্ড গুলি, তিনটি কার্তুজ, একটি রামদা, পাঁচটি চাপাতি, ছয়টি চাকু, একটি কুড়াল ও একটি হাতুরি জব্দ করা হয়।
অপরদিকে একই দিনে হাতিরঝিল থানা পুলিশ মো. হাসিবকে (২৬) গ্রেফতার করে।গ্রেফতারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তালেবুর রহমান।
কেআর/ইএ