জাতীয়

ক্যানসার আক্রান্ত স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে ঘুরে চাকরি গেছে স্বামীর

দুরারোগ্য ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার হতদরিদ্র তসলিমা বেগম (৩৫)। তাসলিমা মনোহরগঞ্জ উপজেলার হাঁড়িয়া হোসেনপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের স্ত্রী।

তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর বর্তমানে জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, দুরারোগ্য ব্রেস্ট ক্যানসার আক্রান্ত তিনি। নিয়মিত কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপিসহ ধারাবাহিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন অনেক অর্থ। বর্তমানে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগানো তাসলিমার পরিবারের পক্ষে মোটেও সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় দেশের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তার স্বামী জহিরুল ইসলাম।

জহিরুল বলেন, চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে মেডিকেলে ঘুরতে ঘুরতে আমার চাকরি চলে গেছে। বেকারাবস্থায় বর্তমানে আর্থিক সংকটের কারণে স্ত্রীর চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে পারছি না। তবে, চিকিৎসা না করলে তাকে বাঁচাতেও পারবো না। তাই দেশবাসীর কাছে চিকিৎসার জন্য হাত বাড়াচ্ছি। আপনাদের সামান্য সহযোগিতাই আমার স্ত্রীর জীবন বাঁচাতে পারে।

এর আগে আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসীর সহযোগিতায় তাসলিমার চিকিৎসা চালানো হলেও এখন অর্থের অভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না। এরই মধ্যে তার চিকিৎসায় প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। অথচ পুরোপুরি সুস্থ করতে এখনো প্রায় ৪ লাখ টাকার প্রয়োজন, যা এই অসহায় পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

ব্যয়বহুল চিকিৎসার চাপ সামলাতে গিয়ে পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে। নিত্যদিনের সংসার চালাতেই যেখানে হিমশিম খেতে হচ্ছে, সেখানে ক্যানসার রোগীর চিকিৎসা চালানো তাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

এমতাবস্থায় বিত্তবানসহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে তাসলিমার চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন। মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনে চিকিৎসা ব্যয়ে আপনিও অংশীদার হতে পারেন।

আর্থিক সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা:জহিরুল ইসলাম, মোবাইল নম্বর: ০১৭৮৪১৮৬৮৬৮ (পার্সোঃ)বিকাশ ও নগদ, সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর ৭০১৭০৫০৮০২৮১৮, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, নারায়ণগঞ্জ বিসিক শাখা, নারায়ণগঞ্জ।

এসইউজে/এমআরএম