মানিকগঞ্জ-১ আসনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপির বহিষ্কৃত ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে যুবদলের পাঁচ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই অভিযোগে ছাত্রদলের ৯ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট সংগঠন দুটির পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত যুবদল নেতারা হলেন, দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারি ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি আবুল বাসার, কলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জসিম, জিয়নপুর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতোয়ার হোসেন ও আবদুর রহিম এবং বাঘুটিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য মো. হাতেম আলী।
এছাড়া শোকজ পাওয়া ছাত্রদলের নেতারা হলেন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, শিবালয় উপজেলার উথলী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আমির হামজা, আরুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. সাগর খান, মহাদেবপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিক মিয়া, শিবালয় ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তুষার মিয়া ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইমদাদুল হক, শিবালয় সদর উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি হৃদয় হোসেন, দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুর রহমান এবং ঘিওর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান।
যুবদলের একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা না চালিয়ে বহিষ্কৃত এক বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে নিয়মিতভাবে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই পাঁচ যুবদল নেতাকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় ওই পাঁচ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শোকজের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল খালেক বলেন, দলের সদস্য হয়ে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মো. সজল আলী/কেএইচকে/এএসএম