ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে চেনাচ্ছেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। জাতীয় লিগ টি-টোয়েন্টি, বিপিএল থেকে অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপ, সবখানেই বল হাতে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পাশাপাশি লোয়ার অর্ডারে কার্যকরী ব্যাটিং করে যাচ্ছেন এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার। সবমিলিয়ে নিজেকে একজন পূর্ণাঙ্গ অলরাউন্ডার হিসেবে গড়ে তোলার মিশনে নেমেছেন তিনি।
গতকাল শনিবারও দুরন্ত একাদশের হয়ে ২৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন সাকলাইন। ব্যাট হাতে করেন ৯ বলে ১৮ রান। যদিও তার দল হেরে গেছে তবে সাকলান শুনিয়েছেন তার স্বপ্নের কথা।
জাতীয় দলে খেলা প্রসঙ্গে সাকলাইন বলেন, ‘আসলে প্রতিটা খেলোয়াড়েরই ইচ্ছা থাকে নিজ দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার। আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব, বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা। সবার আগে আল্লাহকে ধন্যবাদ। যতটুকু করতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ। নিজের শক্তির জায়গায় থাকার চেষ্টা করি। ভালোর তো শেষ নেই। আমিও চেষ্টা করছি দিন দিন উন্নতি করার। যতটুকু পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ, ইনশাআল্লাহ সামনে আরও চেষ্টা করব।’
ব্যাটিং-বোলিংয়ে আস্থা অর্জন এইচপি ক্যাম্পে থাকার সময় থেকেই নিজের ব্যাটিং নিয়ে বাড়তি কাজ করেছেন সাকলাইন। সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় নিজের শক্তিতে বিশ্বাস রাখি। রিজিকের মালিক আল্লাহ। ভালো খেলা খারাপ খেলা আল্লাহর হাতে, আমি নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব। যখন এইচপি দলে ডাক পাই, বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাটিং নিয়েও কাজ করেছি। সেখানে কোচ ছিলেন রাজিন (সালেহ) স্যার, ডেভিড হেম্প। তারা আমার ভুলগুলো ধরিয়ে দিয়েছেন। দিন দিন ভালো হচ্ছে, সামনে আরও হবে আশা করি।’
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি অদম্য কাপ থেকে বিদায় নিলেও সামনে বিসিএল ওয়ানডে ফরম্যাটের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছেন এই অলরাউন্ডার। নিজের প্রসেস নিয়ে সাকলাইন বলেন, ‘সামনে আমাদের বিসিএল ওয়ানডে ফরম্যাটে হবে। সেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করব। ট্রেনিং ফিটনেস মিলিয়ে প্রসেসের মধ্যে থাকব ইনশাআল্লাহ। আমি ২ বছর আগে প্রথম বিভাগ থেকে জাতীয় লিগে খেলার পর ট্রেইনার রাখি, এইচপিতে যাওয়ার পর তুষার (ইমরান) স্যার আছে। উনি প্ল্যান দিয়েছেন সেভাবে চলছে। ইফতি (ইফতিখার ইসলাম) ভাই ছিলেন সর্বশেষ বিপিএলে, উনিও আমাকে প্ল্যান দিয়েছেন। সেই প্রসেসই ধরে রাখছি।’
এসকেডি/আইএন