যশোরের চৌগাছায় জামায়াতের নারী কর্মীদের হেনস্তার দুটি ঘটনায় নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটিতে পৃথক অভিযোগ করা হয়েছে। দুই নির্বাচনি অভিযোগে সাতজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগ দুটি আমলে নিয়ে অভিযুক্ত সাতজনকে সশরীরে সামারি ট্রায়ালে হাজির হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেছেন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান সিনিয়র সিভিল জজ গোলাম রসুল। এ আদেশ নোটিশ সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে কমিটির কাছে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন, চৌগাছার ধুলিয়ানি ইউনিয়নের মুক্তারপুর গ্রামের ইব্রাহিম হোসেন, লিয়াকত আলী, শিমুল হোসেন, কবির হোসেন, মাঠচাকলা গ্রামের হাকিমপুর ইউনিয়নের মাঠচাকলা গ্রামের শাহাবদ্দীন, মুকুল ও মন্টু রহমান।
কমিটির দুটি পৃথক আদেশে বলা হয়, কমিটির নিকট লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়। যা পর্যালোচনায় দেখা যায়, অভিযোগকারী (ভোট কর্মী) একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন, ২ ফেব্রুয়ারি তারিখ দুপুর ১টার দিকে চৌগাছা উপজেলার ৪ নম্বর ধুলিয়ানী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মুক্তারপুর গ্রামের সাধারণ নারীদের কাছে (নারী ভোট কর্মী) দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে গেলে আইতাল হোসেন ও বাদলের বাড়ির সামনে পৌঁছালে অভিযুক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী ইব্রাহিম হোসেন, লিয়াকত আলী, শিমুল হোসেন, কবির হোসেন হামলা চালিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে মোবাইল ফোন, খাতা এবং কাগজপত্রাদি কেড়ে নেয়। অভিযুক্তদের ওই আচরণ সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অভিযুক্তদের সশরীরে যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত অভয়নগর সিভিল জজ আদালত এ হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মিলন রহমান/আরএইচ/জেআইএম