দেশজুড়ে

প্রয়োজনে তাহাজ্জুদ-ফজরের নামাজ পড়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে

ভোটের দিন প্রয়োজনে তাহাজ্জুদ ও ফজরের নামাজ আদায় করে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে যেতে বলেছে খুলনা মহানগর বিএনপি।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে খুলনা মহানগর বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ নির্দেশনা দেন দলের শীর্ষ নেতারা।

খুলনা মহানগর বিএনপির নেতারা বলেছেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেবল একটি ভোটের দিন নয়—এই নির্বাচনই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ কোন পথে যাবে। গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে নাকি দেশ আরও অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হবে, তার ফয়সালা হবে এই নির্বাচনের মাধ্যমেই।’

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হলে বাংলাদেশ সমৃদ্ধির পথে যাত্রা করবে। উন্নয়ন হবে দলমত-নির্বিশেষে, কোনো বৈষম্য থাকবে না। রাষ্ট্র পরিচালনায় ফিরবে জবাবদিহি, আইনের শাসন ও জনগণের মালিকানা।’

তারা আরও বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে নানা অপকৌশল ও ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা রয়েছে। ভোটারদের ভয় দেখানো, কেন্দ্র দখল কিংবা ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা হতে পারে। এসব অপচেষ্টা রুখে দিতে নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

খুলনা মহানগর বিএনপি বলেছে, ভোট দেওয়া শুধু অধিকার নয়, এটি একটি দায়িত্ব। ভোট গ্রহণ ও গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। কেউ যেন ভোটের ফল নিয়ে কারচুপি করতে না পারে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

ভোটারদের উদ্দেশে বিএনপি নেতারা বলেন, ভোট শেষে রেজাল্ট স্লিপ সংগ্রহ করে বাড়ি ফিরতে হবে। এটি ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রতিটি ভোটের হিসাব জনগণের হাতেই থাকতে হবে। এই নির্বাচন কোনো ব্যক্তি বা দলের জন্য নয়—এটি দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। ভোটাধিকার হারালে সবকিছু হারাতে হয়। তাই ১২ ফেব্রুয়ারি সবাইকে সাহসিকতার সঙ্গে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থেকে গণতন্ত্র রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে হবে।

বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, মো. মাসুদ পারভেজ এবং চৌধুরী হাসানুর রশিদ প্রমুখ।

আরিফুর রহমান/এসআর/এমএন/এমএন