দেশজুড়ে

নওগাঁয় জামায়াত পেলো এক আসন, বাকি পাঁচটিই বিএনপির দখলে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁর ৬টি সংসদীয় আসনের ভোট গণনা শেষে ৫টিতে বিএনপি ও ১টিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ২টার দিকে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে নির্বাচনি ফলাফল সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকে নওগাঁ-১ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর) আসনে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮১৬ ভোট। নওগাঁ-৩ (বদলগাছী ও মহাদেবপুর) আসনে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হিয়েছেন মো. ফজলে হুদা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৮৩৮ ভোট। নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন ইকরামুল বারী টিপু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৫৮৫ ভোট।

নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) আসনে ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মো. জাহিদুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ২৩৬ ভোট। নওগাঁ-৬ (রাণীনগর ও আত্রাই) আসনে ১ লাখ ৮ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন শেখ মো. রেজাউল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৮৮৬ ভোট। এছাড়া দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নওগাঁ-২ (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) আসনে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন মো. এনামুল হক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩টি।

নওগাঁর ৬টি আসনে গণভোটের পক্ষে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১০ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮টি ও না ভোট ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫০টি। এর আগে ৬টি আসনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ করা হয়। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা চলে ভোট গ্রহণ হয়।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে- জেলার ১১টি উপজেলায় ৬টি আসনে বিভিন্ন দলের ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যেখানে মোট ৭৮২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। ৭৫ দশমিক ২৭ শতাংশ ভোট পড়ে।

ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে ও কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার ও র‍্যাব নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন বাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক টহলের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল।

আরমান হোসেন রুমন/এমএন/জেআইএম