দেশজুড়ে

গাইবান্ধার পাঁচ আসনের চারটিতে জামায়াত, একটিতে বিএনপির জয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার পাঁচটি সংসদীয় আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বড় জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে জামায়াতে ইসলামী এবং একটিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিস মাসুদুর রহমাস মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী জিয়াউর রহমান পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট।

গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আব্দুল করিম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আনিসুজ্জামান খান বাবু পেয়েছেন ৯২ হাজার ৮৯০ ভোট।

গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী আবুল কাওছার মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৫৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ মইনুল সাদিক ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৬৪ ভোট।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী শামীম কায়সার লিংকন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মো. আব্দুর রহিম সরকার। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭৩৮।

এছাড়া গাইবান্ধা- ৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মো. আব্দুল ওয়ারেছ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ফারুক আলম সরকার। তিনি পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৮৩ ভোট।

আনোয়ার আল শামীম/কেএইচকে