জাতীয়

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ মঙ্গলবার বিকেলে

আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ নেবেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। এদিন বঙ্গভবনে তাদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গভবনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 

অন্যদিকে, সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, একইদিন (মঙ্গলবার) সকালে সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে গণভোটও সম্পন্ন হয়।

নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। ৩০০ আসনের সংসদে এককভাবে সরকার গঠনে প্রয়োজন অন্তত ১৫১টি আসন, আর দুই শতাধিক আসন পাওয়ায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে দলটি।

নিয়ম অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের শপথের পর পার্লামেন্টারি বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে দলনেতা নির্বাচন করা হবে। এরপর নির্বাচিত দলনেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কথা জানাবেন এবং সরকার গঠনের আহ্বান জানাবেন।

এর পর রাষ্ট্রপতি দলনেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্য নির্বাচন করবেন এবং প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সবাইকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি।

নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসনপ্রাপ্ত বিএনপির সংসদ নেতা হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন- এটি অনেকটাই নিশ্চিত।

সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় একজন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্ধারণ করবেন, সেভাবে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকবেন।

তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংখ্যার কমপক্ষে দশভাগের নয় ভাগ সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ পাবেন। সর্বোচ্চ দশভাগের এক ভাগ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের মধ্য থেকে মন্ত্রিসভার সদস্য মনোনীত (টেকনোক্র্যাট) হতে পারবেন বলে সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পড়াবেন। এরপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। শপথের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে তারাই হবে দেশের নতুন সরকার। শপথ নেওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার বহাল থাকবে। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

আরএমএম/এমএএইচ/