ভারতের জাতীয় দলের এখনও সুযোগ হয়নি। এরপরও ১৪ বছর বয়সেই সুনাম কুড়িয়েছেন সমগ্র ক্রিকেটবিশ্বে। নিশ্চিতভাবেই বুঝে গেছেন যে, বৈভব সূর্যবংশির কথা বলছি। রাজ্য দল, বয়সভিত্তিক দল এবং আইপিএল, সব জায়গায় দ্যুতি ছড়িয়েছেন তিনি।
সূর্যের যতটুকু বয়স হয়েছে, তাতে তিনি এখনও উপযুক্ত হতে পারেননি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার। এখনও ৪ বছর বাকি ১৮ হতে। এরপরও নিজের মালিকানায় আছে দুটি গাড়ি।
আইপিএলের ২০২৫ মৌসুমে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে ২৫২ রান করেছিলেন তিনি ২০৬.৬০ স্ট্রাইক রেটে। সেই মৌসুমে সূর্যবংশি জিতেছিলেন ‘সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন’ পুরস্কার। কমপক্ষে ১০০ বল খেলা ব্যাটারদের মধ্যে যা সর্বোচ্চ। পুরস্কার হিসেবে তিনি পান টাটা মোটরসের সাদা এসইউভি। এই গাড়িটি ছিল তার দ্বিতীয়।
প্রথম গাড়িটি উপহার পান রাজস্থান রয়্যালসের মালিক রঞ্জিত বরঠাকুরের পক্ষ থেকে। সূর্যকে মার্সিডিজ বেঞ্জ উপহার দিয়েছিলেন তিনি। গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে তার করা মাত্র ৩৫ বলের সেঞ্চুরিতে এই উপহার পান তিনি। এটি আইপিএল ইতিহাসে কোনো ভারতীয়র দ্রুততম সেঞ্চুরি এবং টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দ্রুততম।
গতকাল বুধবার পাটনায় নিজের দ্বিতীয় গাড়িটি গ্রহণ করার সময় সূর্যবংশি গাড়ির চাবি তুলে দেন মায়ের হাতে। এই বাঁহাতি ওপেনার বলেন, ‘এটি আমার মাকে দেওয়া প্রথম উপহার।’
এর বাইরে পেয়েছেন নগদ ৫০ লাখ অর্থ পুরস্কারও। সদ্যসমাপ্ত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। সেই আসরের ফাইনালে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি ও সবমিলিয়ে ৪৩৯ রান করে জিতেছেন টুর্নামেন্টের সেরার পুরস্কার। দারুণ পারফরম্যান্স করে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের পক্ষ থেকে পেয়েছেন ৫০ লাখ টাকা নগদ পুরস্কার।
আইএন