ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, ‘ভূমি মন্ত্রণালয়ের আধুনিকায়নের উদ্দেশ্য হবে যাতে কোনো সেবা প্রার্থী হয়রানির শিকার না হন। জনগণ যে ভোগান্তির শিকার হয়, আমরা চেষ্টা করছি একটি টিমওয়ার্কের মাধ্যমে সেই ভোগান্তি কমাতে। সারাদেশের মানুষকে এ ভোগান্তি থেকে কীভাবে মুক্ত করা যায়, সেই পরিকল্পনা নিচ্ছি। আমরা চিন্তা করছি ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারের।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নেত্রকোনা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যার জমি, যার সমস্যা সে বলবে। ওখান থেকে আর তাকে পাঁচ-ছয়টা ধাপ দিতে হবে না। দালালের হয়রানি যেন না হয়। যেন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সেটার দিকেই আমরা চেষ্টা করছি। আমরা চেষ্টা করছি। আমাদের মন্ত্রণালয় বিভিন্ন আইন দ্বারা পরিচালিত হয়। আইন অনুযায়ীই বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।’
তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মন্ত্রিপরিষদের প্রত্যেকের একটি বিষয়ে আমাদের সবচেয়ে বড় কমিটমেন্ট হলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। জেলা/উপজেলা প্রশাসনের যে সমস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ আছেন, আমি প্রত্যেকের কাছে আহ্বান জানাবো— অতীতে কী করেছি বা কী করিনি, সে বিষয়ে আমি যেতে চাই না। এখন থেকে পরবর্তী ধাপগুলো যারা যতদিন সার্ভিসে থাকবেন, সবাইকে অনুরোধ করবো দুর্নীতিমুক্ত হয়ে জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকতে হবে।’
ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যারা নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং আপনারা যারা প্রশাসনে আছেন, যৌথভাবে কাজ করলে আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, জনগণ তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা পাবে। নির্বাচনের আগেই জনগণকে সাক্ষী রেখে বলেছি—আমি নিজে দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতেও দেব না।
জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও নেত্রকোনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ডাক্তার অধ্যাপক আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম হিলালি, নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মাসুম মোস্তফা, জেলা পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক, মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন সরকারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
এইচ এম কামাল/আরএইচ/এমএস