আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আমরা আইনকে তার গতিতেই প্রয়োগ করবো, কেউ যদি ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করেন, অশান্ত পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করেন তাহলে আমরা আইনের কঠোর প্রয়োগের দিকে যাবো।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শৈলকূপা ডিগ্রি কলেজ মাঠে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শৈলকূপা ও ঝিনাইদহের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, শৈলকূপায় মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হলো। আজকের পর থেকে শৈলকূপার কোথাও কেউ যদি মাদক ব্যবসা করে, তাহলে প্রশাসনকে জানাবেন। প্রশাসন পদক্ষেপ না নিলে আমাকে একটা এসএমএস করবেন। আমরা শৈলকূপা থেকে মাদকের বিষদাঁত ভেঙে দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, সরকারি দপ্তরে গিয়ে কেউ যদি সেবা না পান, তাহলে আমাদের জানাবেন। বিএনপির নেতাকর্মীদের বলবো, আপনারা সরকারি অফিসের হয়রানির খবর আমার কাছে পৌঁছে দেবেন। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানুষের সেবা দিতে বাধ্য। যদি সরকারি কোনো কর্মকর্তা বাড়তি কোনো কিছু দাবি করে, সেটা নিয়েও আমাকে জানাবেন। সরকারি কর্মকর্তাদের বলবো, বেতনের টাকায় আপনাদের না পোষালে চাকরি ছেড়ে দিয়ে চলে যান। তারপরও দুর্নীতি করবেন না।
তিনি বলেন, শৈলকুপায় সার নিয়ে একটা বদনাম আছে। কিন্তু আগামীতে সারের কোনো কালোবাজারি থাকবে না। কঠিন হস্তে সার কালোবাজারিদের দমন করা হবে।
শৈলকূপা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন বাবর ফিরোজ।
এতে অতিথি ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সমীনুজ্জামান সমীন, সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মানিক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ, সদস্যসচিব মাসুদ রুমি মিথুন প্রমুখ।
এম শাহাজান/এমএন/এমএস