বাহরাইনে ছড়িয়ে পড়েছে ইরানপন্থি বিক্ষোভ। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। চলছে ধরপাকড়ও। এ অবস্থায় বাহরাইনে বিক্ষোভ দমনে সৌদি আরব সেনা পাঠিয়েছে, এমন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত হয়নি।
অনলাইনে প্রচারিত বিভিন্ন পোস্টে বলা হচ্ছে, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত(জিসিসি) ‘পেনিনসুলা শিল্ড ফোর্স’-এর ইউনিট সৌদি আরব থেকে বাহরাইনে প্রবেশ করেছে এবং তারা বিক্ষোভ দমনে স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে সহায়তা করছে।
তবে সৌদি আরব কিংবা বাহরাইনের সরকার এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। ফলে সেনা মোতায়েনের দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
#BREAKING Exclusive: Peninsula Shield Forces seen in Bahrain.They just entered from Saudi. pic.twitter.com/LhQ7KBqW6e
এই দাবি এমন সময় সামনে এলো, যখন বাহরাইনের সিত্রা দ্বীপসহ কয়েকটি এলাকায় ইরানপন্থি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের খবর প্রকাশিত হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে সংঘর্ষের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের দাবি, কিছু ব্যক্তি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও তৈরি করে তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করেছে।
JUST IN: Footage shows Peninsula Shield Forces mobilising in Bahrain. pic.twitter.com/m1VxgCroW1
— Sulaiman Ahmed (@ShaykhSulaiman) March 3, 2026 ইরানের হামলার দাবিএদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরএনএ) দাবি করেছে, তারা বাহরাইনের শেখ ইসা এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
তাদের দাবি অনুযায়ী, ২০টি ড্রোন ও তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ওই ঘাঁটির প্রধান কমান্ড সদরদপ্তর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে চালানো হামলার পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। এর জেরে বিভিন্ন দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ও পাল্টা দাবি সামনে আসছে।
সূত্র: তুর্কিয়ে টুডেকেএএ/