খেলাধুলা

‘গোলটি হলে ক্যারিয়ারের সেরা মনে করতাম’

এএফসি নারী এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ অভিষেক ম্যাচে হেরেছে চীনের বিপক্ষে। এশিয়ার সবচেয়ে সফল দল চীন। এশিয়ান কাপে ৯ বার চ্যাম্পিয়ন। এমন একটি দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ হারবে সেটা অনুমেয়ই ছিল। আশঙ্কা ছিল হারের ব্যবধান না জানি কত বড় হয়। তবে মাত্র ২-০ গোলের হারটি আফঈদা-ঋতুপর্ণাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। পরের দুই ম্যাচে আরো ভালো করার রসদ জমেছে বাংলাদেশ শিবিরে।

২-০ গোলে হারের ম্যাচে দুর্দান্ত পারফম্যান্স দেখিয়েছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণা চাকমা। এই ঋতুপর্ণার গোলেই বাংলাদেশ এশিয়ান কাপে খেলার টিকিট পেয়েছিল। সেই এশিয়ান কাপের প্রথম ম্যাচেও বা পায়ের ঝলক দেখিয়েছেন এই পহাড়ী কন্যা।

চীন গোল দুটি করেছে বিরতির বাাঁশি বাজার আগের দুই মিনিটে। আর ম্যাচের ১৪ মিনিটে বাংলাদেশের প্রাণভোমরা ঋতুপর্ণা পেয়েছিলেন দারুণ সুযোগ। পেয়েছিলেন বললে ভুল হবে, সুযোগটা নিজের যোগ্যতাই তৈরি করেছিলেন তিনি। বাম দিক দিয়ে বল নিয়ে বিদ্যুৎগতিতে চীনের সীমানায় ঢুকেছিলেন ঋতুপর্ণা চাকমা। গায়ে গায়ে থাকা এক ডিফেন্ডারকে ছিটকে দিয়ে তিনি যে বাঁ পায়ের দূরপাল্লার শটটি নিয়েছিলেন। সেই শট বাতাসে ভেসে প্রায় ঢুকছিল জালে। গোলপোস্টে ঢোকার ঠিক আগমুহূর্তে চীনের গোলরক্ষক কোনোমতে ঠেকিয়ে দেন। না হলে ম্যাচের ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো।

গোলটি হলে নিজের ক্যারিয়ারের সেরা হতো বলেই মনে করেন ঋতুপর্ণা চাকমা। ম্যাচের পর এক ভিডিওবার্তায় ঋতুপর্ণা বলেছেন, ‘আমি খুব নার্ভাস ছিলাম। আমরা চীনের মতো একটা দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পেয়ে খুব ভাগ্যবান। আমরা অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি খুব গর্বিত। আমি ভেবেছিলাম সেটা গোলটি হবে। হয়নি। যদি গোল হতো, তাহলে সেটাকে আমার জীবনের সেরা গোল বলে মনে করতাম।’

চীনের বিপক্ষে হারলেও অনেক কিছু শিখেছেন বলে জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা ‘আমরা অনেক কিছু শিখেছি চীনের খেলোয়াড়দের কাছ থেকে। এখন সবকিছু প্রকাশ করতে পারছি না। আমাদের তাদের কাছ থেকে আরো অনেক কিছু শেখার আছে।’

আরআই/আইএন