বাংলাদেশের সবচেয়ে গতিময় পেসার মনে করা হয় নাহিদ রানাকে। তার বলের গতি ১৪০, ১৪৫ কিলোমিটারের ওপরেও উঠে যায়। দীর্ঘদিন পর ওয়ানডে ফরম্যাটে ফিরে আসা বাংলাদেশকে এখন আশা দেখাচ্ছেন গতির রাজা নাহিদ রানা।
পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে কেন টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, তা ভালোভাবে দেখিয়ে দিচ্ছেন নাহিদ রানা।
একা নাহিদের তোপ সামলাতেই তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়লো পাকিস্তানের টপ অর্ডার। ৬৯ রানেই ৫ উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। ৫টি উইকেট একাই নিলেন ডানহাতি গতিময় এই পেসার। নাহিদ রানার ক্যারিয়ারে এটাই প্রথম ফাইফার।
চার ব্যাটারের মধ্যে ২জন অভিষিক্ত মা’জ সাদাকাত ও শামিল হুসাইন। এছাড়া অভিজ্ঞ তিন ব্যাটারকেও ফেরালেন নাহিদ। একজন টি-২০ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী সাহিবজাদা ফারহান, একজন টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের অধিনায়ক সালমান আলি আগা এবং অন্যজন আরও বেশি অভিজ্ঞ, মোহাম্মদ রিজওয়ান।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নতুন ওপেনার মা’জ সাদাকাতকে নিয়ে শুরুটা ভালোই করেছিলেন সাহিবজাদা ফারহান। ৪১ রানের জুটি গড়ে তোলেন তারা দু’জন। তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজরা যখন সাফল্য বয়ে আনতে পারছিলেন না, তখন ইনিংসের ১০ম ওভারের শেষ বলেই প্রথম আঘাতটা হানেন নাহিদ রানা।
৪১ রানের জুটি ভেঙে ফেরান সাহিবজাদা ফারহানকে। ৩৮ বলে ২৭ রান করেন ফারহান। নিজের পরের ওভারেই শামিল হুসাইনকে ফিরিয়ে দেন তিনি। ৭ বলে ৪ রান করেন শামিল। অভিজ্ঞ ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান ২০ বলে ১০ রান করে নাহিদ রানার হাতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন।
৬৯ রানের মাথায় ৫ম ব্যাটার হিসেবে আউট হন সালমান আলি আগা। ৮ বলে ৫ রান করে আউট হন তিনি। সে সঙ্গে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার নেওয়ার কৃতিত্ব দেখান নাহিদ রানা।
আইএইচএস/