বারুদ নদী
বাঙালি যে এক বারুদ নদীকে কবে বুঝেছিল বুকে ধরা ছিল অগণিত চৈত্রের উত্তাপএ দেশে একদিন পতাকার জন্য হয়েছিল রামের অশ্বমেধ যজ্ঞ।মাটির কণায় কণায় উর্বর বীজমন্ত্র ঘুমিয়ে ছিলমুখে কোটি স্বাধীনতার তপস্বী—হাতে রাইফেল অথবা রক্তএ দেশের বুকে বাধা ছিল মুক্তির মৈত্র।
****
ঈশ্বর
অসংখ্য দুপুর গেছে শকুনের উল্লাসেঈশ্বর বসেছিল—রক্ত দ্যাখেনি সে, শোনেনি কারো আর্তনাদও!প্রার্থনাও করেছিল কেউ, কেউ আবারডেকেছিল প্রতিশোধের সুরেঈশ্বর ঘুমিয়ে ছিল, মার্চ এসেছিল যে রাতে।
**** বীর
সমুদ্রের গর্জন শোনা যায়সন্ধ্যের বালুকা বেলার মতো সুনসান বুকনির্জনতা-নিঃসঙ্কোচ ভঙিমায়কাউকে দাঁড়াতে হয়, উত্তাল ঝড়ের বিরুদ্ধেওপ্রস্ফূটিত ফুলের মতো অন্ধকারেও জেগে থাকতে হয়—শাণিত অস্ত্র হাতে। খুলির পর খুলি স্তূপ হলেওঅসংখ্য মার্চের রৌদ্র সৌষ্ঠব মাথা উঁচু করে বাঁচে।
এসইউ