অর্থনীতি

ব্যাংক আমানতের প্রবৃদ্ধি ১০.৪৫ শতাংশ

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশের ব্যাংক খাতে আমানতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৪৫ শতাংশ। অর্থাৎ ২০২৫ সালের জানুয়ারির তুলনায় ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে এ হারে আমানত বেড়েছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে ব্যাংকিং খাতে মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯ লাখ ৬৭ হাজার কোটি টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল প্রায় ১৭ লাখ ৮১ হাজার কোটি টাকা।

তবে ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে আমানতের প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে আমানতের প্রবৃদ্ধি ছিল ১১ দশমিক ১০ শতাংশ।

বেসরকারি ব্যাংকের কয়েকজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমলেও তা এখনও দুই অঙ্কে রয়েছে, যা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তারা। কারণ, গত বছর দীর্ঘ সময় ধরে আমানতের প্রবৃদ্ধি এক অঙ্কে সীমাবদ্ধ ছিল।

তাদের মতে, বর্তমানে বেকারত্বের হার বাড়লেও রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকে আমানত বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা দেশে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহে ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, রেমিট্যান্স বাড়ার প্রভাবেই ব্যাংক খাতে আমানত বাড়ছে। ডিসেম্বরের তুলনায় জানুয়ারিতে প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমলেও সামগ্রিকভাবে তা ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে, চলতি বছরের জানুয়ারি শেষে ব্যাংকের বাইরে থাকা অর্থ বা কারেন্সি আউটসাইড ব্যাংকের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮২ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ লাখ ৭৪ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরে ব্যাংকের বাইরে থাকা অর্থ বেড়েছে ৮ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা।

ইএআর/এমকেআর