জাতীয়

সড়কে বেড়েছে যান চলাচল, কাটেনি যাত্রী সংকট

ঈদুল ফিতর উদযাপনের পঞ্চম দিন আজ। ঈদকে কেন্দ্র করে টানা ছুটি শেষ হলেও রাজধানী ঢাকার সড়ক আজও ফাঁকা। সড়কে গত কয়েকদিনের তুলনায় সড়কে যান চলাচল কিছুটা বাড়লেও কোথাও যানজট নেই। ফলে ভোগান্তিহীন সড়কে আজও কাটেনি যাত্রী সংকট। ফাঁকাই থাকছে গণপরিবহন।

বুধবার (২৫ মার্চ) রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়কগুলো এমন চিত্র দেখা গেছে।

রাজধানীর কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজগেট, আসাদগেট, আগারগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিগত ছুটির দিনগুলোর মতোই সড়কে সাধারণ মানুষের চলাচলের অনেকাংশেই কম। অধিকাংশ গণপরিবহনে আসন থাকছে ফাঁকা। বিভিন্ন বাস পয়েন্টে গণপরিবহনের জন্য যাত্রীর অপেক্ষায়। এছাড়াও কোথাও কোনো যানজটের চিত্র দেখা মেলেনি।

গাবতলী লিংক গণপরিবহনের কন্ডাক্টর জসীম বলেন, সকাল থেকে দুইটা ট্রিপ মেরেছি। আমাদের গাড়ি গাবতলী থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত চলাচল করে। দুই ট্রিপের প্রথম ট্রিপে ৭৫০ টাকা আর দ্বিতীয় ট্রিপে ১২০০ টাকা ভাড়া উঠেছে। রাস্তায় কোনো যাত্রী নেই। গাড়ি একদম ফাঁকা।

লাব্বাইক পরিবহনের কন্ডাক্টর ইমরান হোসেন বলেন, গাড়িতে অর্ধেক যাত্রীও নেই। সব ছিট খালি। ছুটি শেষ তাও অনেকে ঢাকায় আসেনি। এখন রাস্তায় যে যাত্রী আছে এই যাত্রী নিয়ে গাড়ির খরচ উঠানোও কষ্টকর।

এদিকে সড়কে যানজট না থাকায় বেশ শান্তি প্রকাশ করছেন যাত্রীরা। আমিনবাজার থেকে শিশুমেলা এসেছেন মানিক। তিনি বলেন, মাত্র ২০ মিনিটও লাগেনি আমিনবাজার থেকে আসতে। তার মধ্যে গাবতলী এসেও যাত্রীর জন্য গাড়ি কিছু সময় দাঁড়িয়ে ছিল। কোথাও যানজট নেই। ঢাকার রাস্তায় চলাচলে সবসময় এমন শান্তি থাকলে আমরা যারা ঢাকার বাইরের থেকে আসা-যাওয়া করি তাদের জন্য অনেক সুবিধা হয়।

এদিকে সড়কে যাত্রী কম থাকায় ইনকামে ভাটা পড়েছে বলেও জানান সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। মকবুল নামের এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক বলেন, রাস্তায় যাত্রী নেই। ভাড়াও নেই। অনেক কম। আজকে সকাল থেকে ভাড়া মেরে এখনও গাড়ির জমার টাকা তুলতে পারিনি। প্রতিদিন ১৪০০ টাকা গাড়ির জমা আছে। এখন পর্যন্ত মাত্র ৫০০-৬০০ টাকা ভাড়া হয়েছে। অন্যসময় গাড়ির জমার টাকা গোছানো হয়ে যেতো। মানুষ বাড়ি থেকে না ফিরলে ভাড়া ঠিকঠাক উঠবে না। সামনের সপ্তাহ থেকে আশা করি আবার আগের মতো ভাড়া পাওয়া যাবে।

কেআর/জেএইচ