বিনোদন

ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে অন্তর্ভুক্ত হলো নাবিলের ‘লুমিয়ের টু হীরালাল’

লন্ডনের খ্যাতনামা ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে (বিএফআই) অধীনস্থ বিএফআই রিউবেন লাইব্রেরির সংগ্রহে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের লেখক ও স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিলের বই ‘লুমিয়ের টু হীরালাল’।

২০ মার্চ লন্ডনে অবস্থিত বিএফআই সাউথ ব্যাংকে উপস্থিত হয়ে লেখক নিজ হাতে বইটির কপি বিএফআই রিউবেন লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন।

চলচ্চিত্র গবেষণা ও আর্কাইভের জন্য বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত এই লাইব্রেরিতে বইটির অন্তর্ভুক্তি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রারম্ভিক চলচ্চিত্র ইতিহাসকে নতুনভাবে তুলে ধরবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিএফআই বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র, টেলিভিশন গবেষণা লাইব্রেরি এবং আর্কাইভ কেন্দ্র।

একই সঙ্গে বইটি লন্ডনের আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা গ্রন্থাগার-ব্রিটিশ লাইব্রেরি এবং এসওএএস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের লাইব্রেরি সংগ্রহেও অন্তর্ভুক্তির জন্য গৃহীত হয়েছে।

ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক- ইউনিট থেকে প্রকাশিত ইংরেজি ভাষায় রচিত ‘লুমিয়ের টু হীরালাল’ বইটিতে বিশ্ব চলচ্চিত্রের সূচনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র আন্দোলনের ইতিহাস সহজ ও আকর্ষণীয় ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। এতে লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয়ের প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শনী থেকে শুরু করে সোভিয়েত মন্তাজ, জার্মান এক্সপ্রেশনিজম, ইতালীয় নিওরিয়ালিজম এবং ফরাসি নবকল্লোলসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র আন্দোলনের আলোচনা রয়েছে। পাশাপাশি ভারতীয় উপমহাদেশ এবং বাংলাদেশের প্রারম্ভিক চলচ্চিত্র ইতিহাসও এতে স্থান পেয়েছে।

লেখক আলতামিশ নাবিল বলেন, বিশ্ব চলচ্চিত্র ইতিহাসে দক্ষিণ এশিয়ার অবদান নিয়ে আন্তর্জাতিক পাঠকের কাছে একটি সহজবোধ্য ধারণা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই বইটি লিখেছি। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন চলচ্চিত্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিএফআই’র লাইব্রেরিতে বইটির অন্তর্ভুক্তি আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার চলচ্চিত্র ঐতিহ্য আরও দৃশ্যমান হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, আলতামিশ নাবিল নিয়মিত লেখালেখি ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের পাশাপাশি কাজ করছেন যুব ক্ষমতায়ন ও প্রশিক্ষণ নিয়ে।

এমআইএইচএস/