জাগো জবস

চাকরির ভাইভায় যেসব ভুল না করাই ভালো

সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে হাজির ভাইভা বোর্ডের মুখোমুখি। কিন্তু সেখানেই বিপত্তি। ফলাফলে জানলেন চাকরি হচ্ছে না। কারণ কী? নিচের বিষয়গুলো একটু খেয়াল করুন। এমন অভ্যাস নেই তো?

>> ভাইভার সময় অনেক প্রার্থী কিছু মারাত্মক ভুল করেন। ফলে বোর্ডে থাকা ব্যক্তিরা ১৫ মিনিটের মধ্যেই ৯১ ভাগ ক্ষেত্রে বুঝে নিতে পারেন, প্রার্থী যোগ্য কি না।

>> প্রার্থীর কিছু আচরণের কারণে ওই পদের জন্য উপযুক্ত কি না, তা স্পষ্ট হয়ে যায়। তাই নিজেকে উপযুক্ত করার প্রশিক্ষণটা ছাত্রজীবনেই নিতে হয়।

>> ভাইভা বোর্ডে অনেকে টেবিলের ওপরে এটা-সেটা নাড়াচাড়া করেন। হাতের কাছে কিছু থাকলে সেটি ধরার চেষ্টা করেন।

>> অনেকেই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান। গলা শুকিয়ে আসে। এই অপ্রস্তুত ভাব মুখেও প্রকাশ পায়। এ ছাড়া চোখে-মুখে ভয় ও অহেতুক গাম্ভীর্য দেখা যায়। মুখে হাসি দেখা যায় না।

>> বোর্ডে প্রবেশ করার পর প্রশ্নকর্তার সঙ্গে করমর্দনেও অনেকের দুর্বলতা আছে। অনেকে আবার খুব জোরে করমর্দন করে থাকেন, যা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

>> প্রশ্নকর্তার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা না-বলাও সবচেয়ে বড় ভুল বলে বিবেচিত হতে পারে। প্রশ্নকর্তারা মনে করেন, চোখের দিকে না তাকানোটা সবচেয়ে বড় ভুল।

আরও পড়ুনসপ্তাহের সেরা চাকরি: ২৭ মার্চ ২০২৬ 

>> কারো কারো বসে থাকার মধ্যে অস্থিরতা দেখা দেয়। কারণ ছাড়াই অনবরত নড়াচড়া করতে দেখা যায়। এটিও অযোগ্য প্রমাণিত হওয়ার অন্যতম কারণ।

>> প্রশ্নকর্তার সামনে বসে অনেকেই বুকের কাছে হাত ভাঁজ করে রাখেন। সাবলীলভাবে বসতেও পারেন না। এতেও প্রার্থীর অযোগ্যতা প্রমাণিত হয়।

>> অনেকে আঙুলের সাহায্যে কপালের ওপর থেকে বারবার চুল সরাতে থাকেন। কখনো কখনো মাথায় চুল বড় থাকায় কপালে এসে পড়ে। সেগুলো আবার একটু পর পর হাত দিয়ে সরান। এগুলোকে মুদ্রাদোষ হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।

>> কারো কারো পকেটের মুঠোফোন হঠাৎ বেজে ওঠে। এতে সবাইকেই বিব্রত হতে হয়। কথা বলার মনোযোগ নষ্ট হয়ে যায়। তাই আগেই ফোনটি সাইলেন্ট করা উচিত।

>> ভাইভা বোর্ডে প্রশ্নের উত্তর কীভাবে দিলেন, তার ওপর সবটুকু নির্ভর করে না। সব প্রশ্নের উত্তর ঠিকঠাক দিয়েও আচরণ বা অঙ্গভঙ্গির কারণে চাকরিটা কিন্তু হাতছাড়া হয়ে যায়।

সব মিলিয়ে প্রশ্নকর্তারা বাচনভঙ্গির বাইরেও অন্য অনেক লক্ষণ দেখে যোগ্যতা বুঝে নিতে চান। তাই ভাইভা বোর্ডে যাওয়ার আগে এসব বিষয়ে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।

এসইউ