কৃষক কার্ড বাস্তবায়নের প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের ডাটা সংগ্রহ ও ব্যাংক হিসাব খোলার কার্যক্রম আজ (২৯ মার্চ) শেষ হয়েছে। আগামী পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
চলতি বছরে পরীক্ষামূলক বিভিন্ন জেলার ১১টি ব্লকে এ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। তবে দেশের সব প্রান্তিক কৃষকের জন্য এ কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন হবে।
রোববার (২৯ মার্চ) কৃষক কার্ড চালুর কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সচিবালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ‘কৃষক কার্ড’ চালুর বিষয়ে গঠিত কমিটির সর্বশেষ অগ্রগতি বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও সঠিক কৃষকদের কাছে সেবা পৌঁছানো নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
আরও পড়ুনসরকার বলছে অভাব নেই, তাহলে তেল পাই না কেন— প্রশ্ন রাইড শেয়ারিং চালকের ঋণ-সার-বীজ পেতে কৃষক কার্ড ভূমিকা রাখবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে এ কার্ড পর্যায়ক্রমে সারাদেশে বিস্তৃত করা হবে। এ কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।
ক্ষুদ্র কৃষকদের উৎপাদনে সহযোগিতা করতে নির্বাচনি অঙ্গীকারে বিএনপি সরকার কৃষক কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র কৃষককে নগদ সহায়তা ও সার-বীজ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ কৃষক কার্ড সম্পূর্ণ একটি আলাদা কার্ড হবে কৃষকের নামে, যার সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ডের কোনো সম্পর্ক থাকবে না।
তবে এর কার্যক্রম অনেকটা ফ্যামিলি কার্ডের আদলেই পরিচালিত হবে বলে কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, শুরুতে প্রি-পাইলটিং কর্মসূচির মাধ্যমে ৯টি ইউনিয়নে ১৮০০ থেকে ২ হাজার কৃষি কার্ড বিতরণ করবে। প্রাথমিক অবস্থায় এসব কার্ড পাবেন একেবারেই প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক।
এনএইচ/কেএসআর