শিক্ষা

কোচিং নিয়ে ভিকারুননিসার অধ্যক্ষকে শিক্ষামন্ত্রীর কড়া নির্দেশ

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রীদের কোনো কোচিং সেন্টারে না যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের ‘ইন হাউজ’ কোচিং করাতে বলেছেন তিনি। এরপরও ছাত্রীরা বাইরে কোচিং করলে শিক্ষকরা দায়ী থাকবেন এবং শাস্তির মুখে পড়বেন বলেও হুঁশিয়ার করেছেন মন্ত্রী।

সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগমকে ডেকে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এমন নির্দেশনা দেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সূত্র জানায়, অধ্যক্ষ মাজেদা বেগমকে ভিকারুননিসার ছাত্রীরা কেন বাইরের কোচিং সেন্টারে যায়, তাদের বাধ্য করা হচ্ছে কি না; এসব বিষয়ে প্রশ্ন করেন। অধ্যক্ষ উপযুক্ত জবাব দিতে না পারায় ক্ষোভ জানান মন্ত্রী।

পরে শিক্ষামন্ত্রী অধ্যক্ষকে বলেন, আমরা চাই ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা যেন কোনো কোচিং সেন্টারে না যায়। এক কথায় তারা যেতে পারবে না। প্রয়োজনে আপনারা প্রতিষ্ঠানে ইন হাউজ কোচিং দেন, সেখানে বাড়তি পড়ালেখা করান।

এহছানুল হক মিলন জানান, ভিকারুননিসার কোনো ছাত্রী যদি বাইরে কোচিং সেন্টারে যায়, তার জন্য ভিকারুননিসার শিক্ষকরাই দায়ী থাকবেন। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন শিক্ষামন্ত্রী।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, শুধু ভিকারুননিসা নূন স্কুল নয়, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এমন নির্দেশনা দেওয়ার পথে হাঁটছে সরকার। রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ও নামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ভিকারুননিসাসহ কিছু প্রতিষ্ঠানকে আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের অধ্যক্ষকেও ডাকা হয়েছিল। তাকেও বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

বিষয়টি নিয়ে ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। কয়েক দফা তাকে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে তাকে এসএমএস দেওয়া হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

এএএইচ/এসএনআর