চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে মাকে হত্যার মামলার প্রধান আসামি ছেলে মো. কাশেম ও তার স্ত্রী নারগিছ আক্তারকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বুধবার (১ এপ্রিল) কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকা থেকে র্যাব-৭ চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৫ কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতার কাশেম বাঁশখালীর পূর্ব বৈলছড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তার স্ত্রী নারগিছ আক্তার (২৫) একই এলাকার বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত রেহেনা বেগম (৬২) পূর্ব বৈলছড়ি গ্রামের বাসিন্দা। বড় ছেলে প্রবাসে থাকতেন এবং মায়ের চিকিৎসার জন্য নিয়মিত টাকা পাঠাতেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত রেহেনা বেগম (৬২) পূর্ব বৈলছড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তার বড় ছেলে প্রবাসে থাকতেন এবং মায়ের চিকিৎসার জন্য নিয়মিত অর্থ পাঠাতেন। অভিযোগ আছে, ওই টাকা ছোট ছেলে কাশেম নিজের প্রয়োজনে খরচ করতেন। এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার এবং পুত্রবধূর বিরোধ চলছিল।
গত বছরের ৫ জুন রাত থেকে ৬ জুন ভোরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেহেনা বেগমকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। পরে রক্তাক্ত কাপড়চোপড় ঘরে লুকিয়ে রাখা হয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের বড় ভাই মুক্তার আহমদ বাঁশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর-১০, তারিখ ৮ জুন ২০২৫; ধারা ৩০২/২০১/৩৪, পেনাল কোড)।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চকরিয়ার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে গ্রেফতার আসামিদের বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এমআরএএইচ/এমএএইচ/