পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দেশকে স্বনির্ভর করা আর লক্ষ্মীপুরকে স্বনির্ভর করা আমাদের নতুন অঙ্গীকার। যা আমরা নির্বাচনের সময় বলেছি, এখনো বলছি। আমরা সামনে সেই ধরণের প্রকল্প গ্রহণ করছি।
তিনি বলেন, খাল খনন, নদী-নালা, এলাকার উন্নয়ন, কৃষিভিত্তিক, প্রাণী-মৎস্য, পশু পালনের দিকে প্রেসিডেন্ট জিয়ার নজর ছিল। আজকে প্রেসিডেন্ট জিয়া নেই, তার অনেক অসমাপ্ত কাজ আছে। বেগম খালেদা জিয়া অনেক চেষ্টা করেছেন। তারও অনেক অসমাপ্ত কাজ আছে। এগুলো সমাপ্ত করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে লক্ষ্মীপুরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পর আওতায় ইলিশ অভয়াশ্রমে মার্চ-এপ্রিল মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন জেলেদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মৎস্য অধিদপ্তরের ব্যানারে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ আয়োজন করা হয়।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, নদীতে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময় সরকার আগের চেয়ে বরাদ্দ অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। এটি সরকারের পক্ষ থেকে আপনাদের প্রতি উদার নীতি ও সম্মান। এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুনভাবে চিন্তা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত ও শপথ গ্রহণের পর প্রথমদিন থেকে খুব দায়িত্ব নিয়ে জনগণের পাশে থাকা, জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতি, জনগণের অঙ্গীকার রক্ষা করে প্রতিদিন একটা না একটা কাজ জনগণকে পৌঁছে দিচ্ছেন এবং জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সময়টাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের দ্বারপ্রান্তে কাজ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করে যা যা করার জন্য সে কাজগুলোই তিনি প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে।
জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হেমায়েত হোসেন, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান ও বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি প্রমুখ।
কাজল কায়েস/এনএইচআর/এমএস