ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গোরিয়ন লক্ষ্য করে হামলার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।
হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছেন, এই হামলায় ড্রোন এবং ক্লাস্টার মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, বিমানবন্দরটি লক্ষ্য করে সমন্বিত আক্রমণ চালানো হয়।
তবে হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে ইসরায়েলের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও বিস্তৃত আঞ্চলিক সংঘর্ষে রূপ দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ইয়েমেনের হুথিদের সরাসরি অংশগ্রহণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরান থেকে দ্বিতীয় পাইলটকে সফলভাবে উদ্ধারের ঘোষণা দিয়ে বিজয়োল্লাস করছেন, ঠিক তখনই ইরানের পক্ষ থেকে এক পাল্টা দাবি করা হয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা ইসফাহানের দক্ষিণাঞ্চলে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া একটি মার্কিন উড়োজাহাজ ভূপাতিত করেছে।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ‘ফারস’ তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে একটি ছবি প্রকাশ করেছে, যেখানে একটি মাঠ থেকে ঘন কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা যাচ্ছে। ইরানের দাবি, নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে খুঁজতে আসা একটি উড়োজাহাজকে তাদের আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।
ফারস নিউজ তাদের প্রতিবেদনে সরাসরি ট্রাম্পকে আক্রমণ করে লিখেছে, ‘এটি একটি বিরাট সামরিক পরাজয় আড়াল করার জন্য ট্রাম্পের মরিয়া ও বেপরোয়া চেষ্টা।’
এর আগে, ইরানে ভূপাতিত এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় পাইলটকে জীবিত উদ্ধারের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম ‘সাহসী ও দুঃসাহসিক’ উদ্ধার অভিযান বলে দাবি করেছেন তিনি।
সূত্র: আল-জাজিরা
এমএসএম