চট্টগ্রাম ও ফেনীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৮ হাজার ৫০০ লিটার ফার্নেস অয়েল জব্দ এবং ১২ একর সরকারি জমি উদ্ধার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জরিমানা করা হয়েছে চার লাখ ৬৬ হাজার টাকা। চট্টগ্রাম র্যাব-৭ এর উদ্যোগে নির্বাহী ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) সমন্বয়ে রোববার (১২ এপ্রিল) এ যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।
র্যাব-৭ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে দেখা যায়, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ভোজ্য তেল, অকটেন, ডিজেল ও ফার্নেস অয়েল অবৈধভাবে মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, স্ট্যাম্পবিহীন ওজন-পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহার এবং সরকারি জমি ও ফুটপাত দখলের অভিযোগও পাওয়া যায়।
অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তেল সংরক্ষণ ও বেশি দামে জ্বালানি বিক্রির দায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ ২৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পণ্য উৎপাদন এবং ভুয়া সিল ব্যবহারের অভিযোগে আরও দুই লাখ ৮৫ হাজার টাকা আর্থিক দণ্ড দেওয়া হয়।
সরকারি জমি ও ফুটপাত দখলের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযানে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায়, ১২ একর জমি উদ্ধার ও নয়টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়।
সেই সঙ্গে লাইসেন্স ছাড়াই অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত ও প্রক্রিয়াজাত করার অপরাধে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৪৮ হাজার ৫০০ লিটার ফার্নেস অয়েল জব্দ করা হয়।
র্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আদায় করা জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এমআরএএইচ/একিউএফ