কিশোরগঞ্জের ভৈরবের চন্ডিবের পলিথিনে মোড়ানো নবজাতককে (ছেলে) উদ্ধার করেছে এক দম্পতি। উদ্ধারের পরপরই রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এনে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবজাতকের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে মরদেহ থানায় নিয়ে আসে।
জানা যায়, শনিবার রাতে চন্ডিবের গ্রামের হেলাল নামে এক ব্যক্তি বালুর মাঠে গেলে তিনি নবজাতকের কান্নার আওয়াজ শুনতে পান। পরে তার স্ত্রীকে ডেকে এনে তারা খোঁজাখুঁজি করে বুঝতে পারেন একটি পলিথিনে মোড়ানো প্যাকেট থেকে কান্নার আওয়াজ আসছে। পরে তারা প্যাকেট খুলে রক্তাক্ত অবস্থায় এক নবজাতককে উদ্ধার করেন। তারা একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা দেন। পরে তারা ওইখান থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে ভর্তি করা হয়। উদ্ধারের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় নবজাতকটির মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কিশোর কুমার ধর জানান, বালুর মাঠ থেকে পলিথিনে মোড়ানো নবজাতককে উদ্ধার করে সন্তানহীন এক দম্পতি হাসপাতালে নিয়ে আসেন। নবজাতকটিকে সুস্থ করতে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। কিন্তু সোমবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
ভৈরব থানার এসআই সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ওসি স্যারের নির্দেশে হাসপাতালে এসে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এক দম্পতি নবজাতকটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। একদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শিশুটির মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রাজীবুল হাসান/এমএন/এমএস