দেশজুড়ে

ওবায়দুলকে গ্রেফতারের পর বোন-দুলাভাই মুক্ত

রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশাকে হত্যার অভিযোগে ওবায়দুলকে গ্রেফতারের পর তার বোন মোছা. খাদিজা বেগম (৩৬) এবং দুলাভাই মো. খাদেমুল ইসলামকে (৪৬) ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।ওবায়দুলকে গ্রেফতার ও বোন-দুলাভাইকে ছেড়ে দেয়ার পর এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এখন এলাকার মানুষের একটাই দাবি ওবায়দুল দোষী হলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। যাতে করে এ ধরনের ঘটনা আর কেউ ঘটাতে সাহস না পায়।দুলাভাই খাদেমুল ইসলামের মা খতেজা বেগম (৭৫) জানান, ওবায়দুলকে তিনি পেটে না ধরলেও স্নেহ ভালোবাসা দিয়েছিলেন নিজের ছেলের মত। ওবায়দুল এমন ঘটনা ঘটিয়েছে তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না। তবে ওবায়দুল দোষী হলে তিনিও বিচার চান।সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় রমনা থানা পুলিশের উপপরির্দশক (এসআই) মো. মোশারফ হোসেন বীরগঞ্জ থানা পুলিশের সহযোগিতায় ঘাতক ওবায়দুলের নিজ বাড়ি দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মিরাটঙ্গী গ্রামে অভিযান চালায়। সেসময় ওবায়দুলকে না পেয়ে পুলিশ বোন মোছা. খাদিজা বেগম (৩৬) এবং দুলাভাই মো. খাদেমুল ইসলামকে (৪৬) আটক করে বীরগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়। পরে সারারাত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ভোরে নীলফামারী জেলার ডোমার থেকে ওবায়দুলকে গ্রেফতার করার পর পুলিশ ওবায়দুলের বোন মোছা. খাদিজা বেগম (৩৬) এবং দুলাভাই মো. খাদেমুল ইসলামকে (৪৬) ছেড়ে দেয়।বীরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু আক্কাছ আহম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভোরে ওবায়দুলকে গ্রেফতারের পর পরই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নির্দেশে বীরগঞ্জ থানা থেকে আটকদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।উল্লেখ্য, কাকরাইলে গত বুধবার বখাটে এক যুবকের ছুরিতে আহত উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। রিশার মা বুধবারই ওবায়দুলকে আসামি করে রমনা থানায় একটি মামলা করেন। এমদাদুল হক মিলন/এফএ/এমএস