ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৌধুরী মোয়াজ্জেম আহমদ ও থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদেরের অপসারণ চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ।ফেসুবেক পবিত্র কাবা শরীফ নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র করে পোস্ট দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে চালানো তাণ্ডবের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে তারা এ বিবৃতি দেন।রোববার রাতে গণমাধ্যমে জেলা আওয়ামী লীগের পঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।জেলা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক সাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র কাবাঘর নিয়ে কটাক্ষ করার ষড়যন্ত্রমূলক ঘৃণ্য ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরও একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী কর্তৃক ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিভ্রান্ত করে রোববার নাসিরনগরে হিন্দু ধর্মালম্বীদের বিভিন্ন মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে জড়িতদের কঠোর হস্তে দমন ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ। এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষরিত যৌথ বিবৃতিতে সামাজিক শান্তি ও ধর্মীয় চেতনা রক্ষায় ব্যর্থতাসহ নৈরাজ্যকর অবস্থা সৃষ্টিকারীদের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে প্রশাসনিক ব্যর্থতার জন্য স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা (ওসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দ্রুত অপসারণ দাবি করা হয়।এছাড়া ইতোপূর্বে নাসিরনগরে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সাধারণ ছাত্রদের ডাকা সমাবেশে ১৪৪ ধারা জারি এবং বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে অবহেলার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে জেলা নেতৃবৃন্দ এসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানান।আজিজুল সঞ্চয়/এফএ/এমএস