শরীয়তপুরে সরকারি কাজে বাধাদান এবং পুলিশ সদস্যের কানের পর্দা ফাটানোর ঘটনায় পালং মডেল থানায় দুটি মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা শেরেবাংলা নগর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে পালং মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চিকিৎসককে হুমকি ও অপদস্ত, সরকারি কাজে বাধাদান এবং পুলিশ সদস্যকে মারধর করার অপরাধে পালং মডেল থানায় মঙ্গলবার আলমগীর হোসেন হাওলাদার, আক্তার হোসেন ঢালী ও জাগরণ শেখকে আসামি দুটি মামলা দায়ের করা হয়।বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শেরেবাংলা নগর থেকে আলমগীর হোসেন হাওলাদারকে গ্রেরেফতার করে পুলিশ।ওসি আরো বলেন, মামলা দুটির বাদী পালং থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নজরুল ইসলাম এবং শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুমন কুমার পোদ্দার। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে আহত পুলিশ সদস্য সেলিম মাতুব্বরকে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইনস হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। আক্তার হোসেন ঢালী তার মামা শরীয়তপুর সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন হাওলাদারের নির্দেশে সদর হাসপাতালে কর্মরত ডা. দেবাশীষ সাহাকে একটি অনৈতিক চিকিৎসা সনদপত্র দিতে বলে। তাদের পছন্দ মতো সনদপত্র দিতে অস্বীকার করলে আক্তার হোসেন ঢালী ডা. দেবাশীষ সাহাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। এ সময় চিকিৎসা নিতে আসা পুলিশ সদস্য সেলিম মাতুব্বর আক্তার হোসেন ঢালীকে গালমন্দ না করার জন্য বলে। তখন আক্তার চড়াও হয়ে সেলিমের কানে চড় মারলে তিনি ফ্লোরে পড়ে যান। পরে কর্তব্যরত ডাক্তারা তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক সেলিমকে কানের পর্দা ফেটে গেছে বলে জানান।মো. ছগির হোসেন/এএম/এবিএস