দেশজুড়ে

আধুনিক চিংড়ি চাষ শিল্পের মানোন্নয়ন ঘটাতে পারে

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব হাফিজুর রহমান বলেছেন, বিশ্ববাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক খাদ্য আইন (কোডেক্স) অনুসরণ করে গলদা চিংড়ি উৎপাদন বাড়াতে হবে। আর এতে অনুসরণ করতে হবে বিজ্ঞানসম্মত ও আধুনিক চাষ পদ্ধতি। দেশের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ রফতানিপণ্য গলদা চিংড়ি শিল্পের সার্বিক মানোন্নয়নে কক্সবাজারে হ্যাচারি অপারেটর ও চাষিদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদফতর ও বাংলাদেশ শ্রীম্প অ্যান্ড ফিশ ফাউন্ডেশন (বিএসএসএফ) সমন্বিতভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। সোমবার সকালে জেলা মৎস্য ভবনের সম্মেলন কক্ষে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অমিতোষ সেনের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ শ্রীম্প অ্যান্ড ফিশ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মশালার শুরু হয়। অনুষ্ঠানে গলদা হ্যাচারি শিল্পের ক্রমবিকাশ, স্থান নির্বাচন, ফ্যাসিলিটিজ ডিজাইন, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা, রোগমুক্ত গলদা মজুদ, স্টক কালচার, চাষ পরবর্তী আহরণ, আহরিত চিংড়ি নিরাপদ পরিবহন, হ্যাচারি ও খামারের উন্নত জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, পানি ট্রিটমেন্ট-ব্যবস্থাপনা, ডিম ফোটানো, হ্যাচারির এলআরটিতে লার্ভা ট্রান্সফার-মজুদ, আর্টিমিয়া হ্যাচিং-সমৃদ্ধকরণ ও খাদ্য ব্যবস্থাপনাসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অমিতোষ সেন, বিএসএফএফ এর অ্যাকোয়াকালচার কনসালটেন্ট হিরন্ময় ভট্টাচার্য ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (সদর) ড. মঈন উদ্দীন আহমদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের উম্মুক্ত আলোচনা পর্বে মৎস্য অধিদফতরের কর্মকর্তা, চাষি ও হ্যাচারি মালিকরা পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। সায়ীদ আলমগীর/এএম/আরআইপি