দেশজুড়ে

প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে অশ্লীল ছবির প্রদর্শনী

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা সদরে ‘বুলবুল টকিজ’ সিনেমায় চলছে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ছবি। যেন দেখার কেউ নেই। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ছবির পোস্টার বিভিন্ন স্থানে লাগানো হয়েছে। এতে যুব সমাজ বিপথে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বর্তমান সময়ে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের নিয়ে সব সময় দুশ্চিন্তায় রয়েছে। সন্তানকে ভালো ও সুস্থ রাখতে চোখে চোখে রাখার চেষ্টার করেন। যেন খারাপ কোনো কিছুর প্রতি আকৃষ্ট না হয়। নিষিদ্ধের প্রতি সবারই একটা টান থাকে। এর মধ্যে উপজেলা সদরে প্রকাশ্যে ‘বুলবুল টকিজ’ সিনেমায় গত এক সপ্তাহ ধরে চলছে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ছবি ‘নিষিদ্ধ যাত্রা’ প্রদর্শিত হচ্ছে। মেইন রোড সংলগ্ন সিনেমা হলের প্রধান গেটের সামনে দুই পাশে দুইটি বড় বড় অশ্লীল পোস্টার সাঁটানো হয়েছে। যেন দর্শক সহজেই দেখতে পায়। বর্তমান সময়ে এরকম একটি অশ্লীল ছবি সিনেমাতে চালানো হলে উঠতি বয়সী স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়ে ও যুব সমাজ নষ্ট হবে। পরিচালকারা যেখানে দর্শক ধরে রাখতে ভালো ভালো ছবি নির্মাণ করছেন। দেশে বিদেশে সুনাম কুড়িয়ে আনতে চেষ্টা করছেন। ভালো ছবির জন্য অস্কারও পাচ্ছেন। সেখানে কিনা মহাদেবপুরে চলছে অশ্লীল ছবি। সিনেমা হলে এমন ছবির পোস্টার লাগানো ও চালানো নিয়ে সচেতন অভিভাবকরাও হতবাক। দিনে ৩-৪টি শো দেখানো হচ্ছে। অশ্লীল ছবি দেখার জন্য সিনেমা হলের মধ্যেও চলছে অশ্লীল কাজ এমন মন্তব্য করছেন স্থানীয়রা। যেখানে ছেলে মেয়েরা অশ্লীল ছবি দেখে মেয়েদের সঙ্গে অশ্লীল কাজে লিপ্ত হচ্ছে। সন্ধ্যার দিকে অনেকে মেয়ে ভাড়া করে নিয়ে সিনেমা হলে প্রবেশ করে। সিনেমা দেখা তাদের উদ্দেশ্য নয় বরং অশ্লীল কাজে মগ্ন তারা। প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছেন। প্রনিয়নিত ওই সিনেমা হলে এ ধরনের ছবি চালানো হয়। অথচ সিনেমা হলে পাশেই উপজেলা পরিষদ।সিনেমা হলের ম্যানেজার বুলবুল অশ্লীল ছবির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বর্তমানে সিনেমার দর্শক ভ্যান ও রিকশাচালক। হলের ব্যবসাও তেমন হচ্ছে না। ডিস লাইনে এখন সবাই ঘরে বসে সিনমা দেখছেন। ভদ্র পরিবারের কোনো মানুষ এখন সিনেমা হলে আসে না।সিনেমা হলের মালিক শামসুজ্জামান বিশ্বাস বলেন, আসলে সিনেমা হলে কী ছবি চলছে তা আমার জানা নেই। তবে দেখার পর তা বন্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।এ বিষয়ে মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেবুন নাহার বলেন, খোঁজখবর নিয়ে বিষয়টি দেখবো। এমন কিছু হয়ে থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।আব্বাস আলী/এএম/জেআইএম