বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সুপরিকল্পিতভাবে দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী মানুষদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে ফল লাভ করতে চায় সরকার। তিনি বলেন, আজকে ষড়যন্ত্র চলছে, সেই ষড়যন্ত্র হচ্ছে একে অপরের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা। তাই এদের পরাজিত করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে আওয়ামী লীগকে পরাজিত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১১তম কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে ছাড়া এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। নির্বাচন হতে হলে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ কমিশনের অধীনে নির্বাচন হতে হবে।জিয়াউর রহমান হত্যা এবং তারেক রহমান গ্রেফতার একই সূত্রে গাথা উল্লেখ করে মির্জা আলমগীর বলেন, এটা ভিন্নভাবে দেখার কোনো কারণ নেই।ছাত্রদলের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই আবেগ এবং অনুভূতিকে জমা করে রাখতে হবে সরকারকে পতনের আন্দোলনের জন্য। বিভেদ নয় একত্রিত হয়ে রাজপথে আন্দোলন করতে হবে।একই অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ১/১১ সরকার খালেদা জিয়াকে মাইনাস করে বিএনপিকে ধ্বংস করে দেয়ার ষড়যন্ত্রের শিকার তারেক রহমান। যারা বিএনপিকে ভয় পায় তারাই এই ষড়যন্ত্র করেছিল। যারা বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখতে চায় না তারাই বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে।দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, বর্তমান সরকারের কোনো বৈধতা নেই। ধরবো, মারবো, কাটবো এই দানবীয় রূপ হচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের।ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাজিব আহসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, গাজীপুর বিএনপির জেলা সভাপতি ফজলুল হক মিলন, বিএনপি নেতা শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, ছাত্রদলের সিনিয়র সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন প্রমুখ।এমএম/জেএইচ/পিআর