দেশজুড়ে

বাগেরহাটে ট্রলারডুবি : নিহত ৩, নিখোঁজ ১০

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের প্রমত্তা পানগুছি নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩ নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।

নিহতরা হলেন, মোরেলগঞ্জের কালিকাবাড়ি এলাকার বিউটি বেগম (৩৮), একই উপজেলার গুয়াতলা এলাকার পিয়ারা বেগম (৫০) ও চিংড়াখালী এলাকার সুফিয়া বেগম (৭৩)। এছাড় মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধারের পর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে মোরেলগঞ্জ পরিবার পরিকল্পনা অফিসার রেবেকা বেগমকে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোরেলগঞ্জের ছোলমবাড়ীয়া খেয়াঘাট থেকে দুটি যাত্রীবাহী বাসের শতাধিক যাত্রী নিয়ে  মোড়েলগঞ্জ পুরাতন থানা ঘাটে যাওযার পথে ট্রলাারটি পানগুছি নদীতে ডুবে যায়। অতিরিক্ত যাত্রী ওঠার কারণে খরস্রোতা পানগুচি নদীতে  ট্রলারটি  ডুবে যায় বলে ট্রলারে থাকা আহত যাত্রীরা দাবি করেন।

ট্রলারডুবির পর অন্য নৌকা এবং সাঁতরে অনেকেই তীরে উঠতে সক্ষম হয়েছে। তবে এখনো ১০-১২ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছে।

বাগেরহাট মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল আলম জানান, যাত্রীবাহি ট্রলার ডুবির পর এপর্যন্ত  স্থানীয়দের সহায়তায় ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনও ১০ যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। পুলিশ, নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

মোড়েলঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি একই উপজেলার ফুলহাতা গ্রামের নাসিমা বেগম বলেন, ঘাট থেকে ট্রলারটি প্রায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে নদী পাড়ি দেয়ার উদ্দেশে ছাড়ে। তীরে ওঠার কিছু আগেই ওই নদী দিয়ে যাওয়া অপর একটি জাহাজের ঢেউ ও স্রোতের কারণে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় অধিকাংশ যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও প্রায় ১০ যাত্রী এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

শওকত আলী বাবু/এফএ/জেআইএম