ফরিদপুরে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক কিশোরীকে (১৫) বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে সদরপুর উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনায় সদরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা করেছেন ওই কিশোরীর বাবা।
কিশোরী ও তার পরিবার জানিয়েছে, ওই কিশোরী স্থানীয় একটি স্কুলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাড়ির বাইরে যায়। এসময় বখাটে বাবু কাজী (২৩) তার দুই সহযোগী ফারুখ মুন্সী (১৮) ও সাখাওয়াত কাজীর (২২) সহায়তায় ওই কিশোরীর মুখ চেপে ধরে তাকে একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন।
পরে মেয়ের বাবা, মা ও স্থানীয় লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাত ৪টার দিকে কিশোরীকে বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে উদ্ধার করে।
ওই কিশোরী জানায়, বাবু কাজী স্কুলে যাওয়া-আসার পথে প্রায়ই তাকে উত্ত্যক্ত করতো। এক পর্যায়ে বাবু কাজী তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। কিন্তু কিশোরী ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। তবে ওই তরুণের ভয়ে কিশোরী একপর্যায়ে তার সঙ্গে কিছুদিন কথা বলে। কিন্তু কিশোরী কথা বলা বন্ধ করে দিলে বাবু তাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সদরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ জানান, কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে বাবু কাজীকে প্রধান আসামি করে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হয়েছে। আসামিরা পলাতক রয়েছেন।
ওসি আরও জানান, আদালতে ১৬৪ ধারায় কিশোরীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। কিশোরীর মেডিকেল পরীক্ষা করে তা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
এআরএ/এমএস