দেশজুড়ে

আর পান্তা দিয়ে ইফতার করতে হবে না তাদের

‘পান্তা দিয়েই নিয়মিত ইফতার করেন তারা’ শিরোনামে অনলাইন নিউজপোর্টাল জাগোনিউজ২৪.ডটকম`এ সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই সেই পরিবারটিকে ইফতার ও খাদ্যসামগ্রী দেয়া হচ্ছে। এছাড়া কিশোরগঞ্জ থেকে একজন পাঁচ হাজার টাকা ও ঢাকা থেকে একজন এক হাজার টাকা সহযোগিতা পাঠিয়েছেন পরিবারটিকে।

রোববার বিকেল সাড়ে ৪টায় গাইবান্ধা পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের সুখনগর এলাকায় গিয়ে ফুলমতি বেগম ও তার স্বামী আবু হোসেনের হাতে ইফতার ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন শহরের থানাপাড়ার গেটওয়ে ক্যারিয়ার পয়েন্ট গাইবান্ধা শাখার পরিচালক লাবলু মিয়া।

এসময় গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র শামীম মিয়া, সাংবাদিক রওশন আলম পাপুল ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ইফতার ও খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল খেজুর, বুট, বুন্দিয়া, পেঁয়াজু, আটা, ডিম, চিনি, সেমাই, গ্লুকোজ, আম, কলাসহ আরও বিভিন্ন খাদ্য উপকরণ।

লাবলু মিয়া বলেন, অনেকেরই টাকা আছে। কিন্তু মানুষকে সহযোগিতা করার মতো মন খুব কম মানুষেরই আছে। প্রত্যেকেরই উচিত এ ধরনের গরিব মানুষের পাশে এসে সহযোগিতা করা।

সহযোগিতা পেয়ে ফুলমতি বেগম বলেন, ‘হামরা গরিব মানুষ। ট্যাকার অভাবে ঠিকমত দুবেলা খাবার জোটে না। তাদের এ সহযোগিতা পেয়ে খুব উপকার হলো। এখন ইফতারসামগ্রী দিয়েই ইফতার করতে পারবো।’

এছাড়া ব্যক্তিগতভাবে ফুলমতি বেগম ও তার স্বামীকে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন দুই ব্যক্তি।

উল্লেখ্য, রাতে অতিরিক্ত ভাত রান্না করে সেই ভাতে পানি দিয়ে রেখে পরদিন সন্ধ্যায় মাগরিবের আজান দিলে (ইফতারে) সেই ভাত (পান্তা) খেতেন ফুলমতি বেগম ও তার স্বামী আবু হোসেন।

রওশন আলম পাপুল/এমএএস/পিআর