সিরাজগঞ্জের সেই আব্দুল কাইয়ুম সুস্থ হয়ে উঠেছে। দুইদিন পরই বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হবে।
গত ১৫ জুলাই সিরাজগঞ্জ জেলার বিলগজারিয়া গ্রামের ইলিয়াস আলীর ছেলে কাইয়ুমকে (১২) বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল।
গত ১৪ জুলাই সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাটের এসিআই ফিড গোদরেজ ফিড মিলে পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে তাকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়। পরে সিরাগঞ্জের চিকিৎসা দেয়ার পর তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক জেনারেল মাসুদ আহসান মঙ্গলবার জানান, এ ধরনের রোগী বেঁচে উঠার ইতিহাস খুবই কম। হাসপাতালের ডাক্তাররা তাদের দক্ষতা ও সেবা দিয়ে কাইয়ুমকে সুস্থ করে তুলেছেন। কাইয়ুমকে ভর্তির পরই তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়। আইসিইউ ছিল বলেই কাইয়ুমকে চিকিৎসা দিয়ে বাঁচানো সম্ভব হলো।
সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. মো. আব্দুল মোত্তালেব হোসেন জানান, অ্যাবডোমেন ওপেন করার পর তার পেটে খাদ্য নালির একাধিক স্থানে ছিদ্র ও ক্ষত পাওয়া যায়। পরে ছিদ্রগুলো রিপিয়ার করা হয় এবং নিয়ম মাফিক অ্যাবডোমেন ক্লোজ করা হয়। খাদ্যনালিতে একাধিক ছিদ্রযুক্ত টক্সিক রোগী সহজেই বেঁচে উঠে না। তবে এখানে সৃষ্টিকর্তার আর্শিবাদ মিলেছে। কাইয়ুম এখন সুস্থ। দুইদিন পরই তাকে ছাড়পত্র দেয়া হবে।
আইসিইউতে চিকিৎসাধীন কাইয়ুম বলেন, এখন খুব ভাল আছি। ভালোভাবে খেতে পারছি। কথা বলতে পারছি।
কাইয়ুমের মা ববিতা খাতুন বলেন, গোদরেজ কোম্পানির পক্ষ থেকে চিকিৎসা খরচ দেয়া হয়। তারা মামলা করতে নিষেধ করেন। তাই মামলা করিনি।
লিমন বাসার/এএম/এমএস