রাজশাহীর বাঘায় দুই বখাটের বিরুদ্ধে এক স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সন্ধ্যার পর উপজেলার ঝিনা এলাকায় এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর ভাই থানায় অভিযোগ দেন।
অভিযুক্ত দুই বখাটে হলেন- উপজেলার খাগড়বাড়িয়া গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে জাকির হোসেন (২২) ও একই গ্রামের সমজান হোসেনের ছেলে নাজমুল হোসেন (২৫)। তারা দুইজন বন্ধু। এ ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছে।
নির্যাতিতা ওই স্কুলছাত্রীর বাড়ি ঝিনা রিফিউজিপাড়ায়। সে ঝিনা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। ধর্ষণের পর তাকে বিদ্যালয়ের পাশের ফেলে রেখে পালিয়ে যায় বখাটেরা।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাঘার আড়ানী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবুল কালাম জানান, বুধবার সন্ধ্যার দিকে ওই ছাত্রী একা প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে ফিরছিল। রাস্তা থেকে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় ওই দুই বখাটে। পরে পাশের ফাঁকা মাঠে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে এলাকার রইস উদ্দিনের বাড়ির পাশে ফেলে যায়।
বাঘা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, রাস্তায় একা পেয়ে ওই ছাত্রীকে পাশের ফাঁকা মাঠে তুলে নিয়ে যায় দুই বখাটে। এরপর পালাক্রমে ধর্ষণের পর ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয় পরিবার। পরে বৃহস্পতিবার এনিয়ে থানায় অভিযোগ দেয় ওই ছাত্রীর পরিবার।
ওসি আরও বলেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত দুই বখাটে পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এছাড়া নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ওসিসিতে নেয়া হয়েছে।
ফেরদৌস সিদ্দিকী/আরএআর/জেআইএম